রাশিয়ার স্বাধীন সংবাদমাধ্যম কোমারসেন্ট জানিয়েছে, রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তের ব্রায়ান্সকে রুশ সেনাদের একটি সুখোই এসইউ-৩৪, একটি এসইউ-৩৫ এবং দু’টি এমআই-৮ হেলিকপ্টার ভূপাতিত করেছে ইউক্রেন।

যদি এ প্রতিবেদনটি সঠিক হয় তাহলে এটি কিয়েভের জন্য বিশাল সামরিক সাফল্য হবে বলে রোববার (১৪ মে) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

শনিবার (১৩ মে) কোমারসেন্ট ওই প্রতিবেদনে আরও জানিয়েছে, হামলার প্রস্তুতি নেওয়া রুশ এ যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টারগুলো একইসঙ্গে ভূপাতিত করা হয়। যেখানে এ আকাশযানগুলো ভূপাতিত করা হয়েছে সেটি ইউক্রেনের সীমান্তের খুব কাছে অবস্থিত।

সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী… যুদ্ধবিমানগুলো ইউক্রেনের চেরনিহিভ অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ ও বোমা হামলা চালানোর জন্য যাচ্ছিল। অপরদিকে হেলিকপ্টারগুলোর এ হামলার সহায়ক হিসেবে পাশে পাশে যাচ্ছিল।’

কোমারসেন্ট এ প্রতিবেদনের পক্ষে কোনো প্রমাণ দেয়নি। তবে এ সংবাদমাধ্যমটিতে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে, সামরিক ব্লগাররাও সেই একই কথা বলেছেন।

সামরিক আকাশযান বিধ্বস্ত হওয়ার ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এছাড়া ইউক্রেনও মুখ চেপে বসে আছে। দেশটি সাধারণত রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের ভেতর চালানো কোনো হামলা নিয়ে কিছু বলে না।

তবে ইউক্রেনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে এ নিয়ে ব্যাপক উদ্দীপনা এবং আলোচনা চলছে। অনেকে বলছেন একসঙ্গে চারটি এয়ারক্রাফট বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনা কোনো দুর্ঘটনা নয়।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির উপদেষ্টা মিখাইল পোদোলায়েক অবশ্য এ নিয়ে একটি টুইট করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘রাশিয়ার বিমানগুলো ইউক্রেনের চেরনিহিভে ক্ষেপণাস্ত্র-বোমা হামলা চালাতে চেয়েছিল। কিন্তু অজ্ঞাত ব্যক্তিদের মাধ্যমে এগুলো ধ্বংস হয়েছে। এটি তাৎক্ষণিক বিচার।’

রাশিয়ার সরকারি বার্তাসংস্থা টাস নিউজ শনিবার এক প্রতিবেদনে জানায়, ব্রায়ান্সকে একটি এসইউ-৩৪ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। কিন্তু এর বেশি আর কিছু জানায়নি টাস।

সূত্র: আল জাজিরা

এমটিআই