বছরের প্রথম দিনেই বাজিমাত করেছেন ভারতীয় ধনকুবের গৌতম আদানি। ওই দিন আদানি গ্রুপের শেয়ারে ইতিবাচক সূচক দেখা গেছে। যার প্রভাব গৌতম আদানির মোট সম্পদেও দেখা গেছে। ব্লুমবার্গের রিপোর্ট অনুযায়ী, গত সোমবার (১ জানুয়ারি) বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ৫০০ ধনকুবেরের মধ্যে সম্পদ বৃদ্ধির দিক থেকে গৌতম আদানি দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন। প্রথম স্থানে ছিলেন চীনের উইলিয়াম ডিং।

অন্যদিকে বছর শুরুর দিনে ইলন মাস্ক ও ভারতের আরেক ধনকুবের মুকেশ আম্বানির সম্পদের পরিমাণ কমেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সোমবার ইলন মাস্কের সম্পদ ৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি কমেছে। অন্যদিকে এশিয়ার শ্রেষ্ঠ ধনী ব্যবসায়ী মুকেশ আম্বানির সম্পদের পরিমাণ ৭৫০ মিলিয়ন ডলার কমেছে।

গৌতম আদানির সম্পদ কত বেড়েছে : বছরের প্রথম দিন চীনের উইলিয়াম ডিং ও গৌতম আদানির সম্পদে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি দেখা গেছে। উল্লেখ্য, উইলিয়াম ডিং হলেন বিশ্বের ৫৪তম ধনী ব্যবসায়ী, যার মোট সম্পদ বেড়েছে ১.১২ বিলিয়ন ডলার। বর্তমানে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯.২ বিলিয়ন ডলারে।

এদিকে গৌতম আদানির সম্পদের পরিমাণ বেড়েছে ১.১০ বিলিয়ন ডলার। এ অবস্থায় আদানির মোট সম্পদের পরিমাণ পৌঁছে গেছে ৮৪.৩ বিলিয়ন ডলারে। বর্তমানে গৌতম আদানি বিশ্বের ১৫তম ধনী ব্যবসায়ী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।

মাস্কের সম্পদে সবচেয়ে বড় পতন : অন্যদিকে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ধনকুবের ইলন মাস্কের সম্পদে বছরের প্রথম দিনে সবচেয়ে বেশি পতন হয়েছে। ব্লুমবার্গের তথ্য অনুসারে, ১ জানুয়ারি মাস্কের ৩.৩৬ বিলিয়ন ডলার হ্রাস পেয়েছে। ফলে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২২৯ বিলিয়ন ডলারে। পাশাপাশি মার্ক জুকারবার্গ ও জেফ বেজোসের সম্পদও ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি কমেছে।

ভারতীয় অন্য ধনকুবেরদের অবস্থা : ১ জানুয়ারি শাপুর মিস্ত্রির সম্পদের পরিমাণ ৮৭.৪ মিলিয়ন ডলার, আজিম প্রেমজির সম্পদ ১৩৯ মিলিয়ন ডলার, সাবিত্রী জিন্দালের ৪৯.৯ মিলিয়ন ডলার, রাধাকিশান দামানির ৩৭১ মিলিয়ন ডলার, কুমার বিড়লার ১৯১ মিলিয়ন ডলার, সাইরাস পুনাওয়ালার ২৫ মিলিয়ন ডলার, নুসলি ওয়াদিয়ার ৯ মিলিয়ন ডলার এবং মঙ্গল প্রভাতের ৩০৮ মিলিয়ন ডলার সম্পদ বেড়েছে।

এসএসএইচ