ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের চিফ অপারেটিং অফিসার আমান উল্ল্যাহকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয় তাকে। এরপর গুলশান থানায় প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবুবকর সিদ্দিক আগামী ২৩ আগস্ট তদন্ত কর্মকর্তা ও আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য এ দিন ধার্য করেন।

বুধবার (১৮ আগস্ট) তাকে গ্রেফতার করে গুলশান থানা পুলিশ। বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেন গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে যে মামলাটি হয়েছে, সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার আমান উল্ল্যাহকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গুলশান থানা সূত্রে জানা যায়, ই-অরেঞ্জের চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) আমান উল্ল্যাহ‌কে গ্রেফতারের সময় তার কাছ থেকে ২৪টি ক্রেডিট কার্ড, ১৬ লাখ টাকা এবং গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।

অগ্রিম অর্থ পরিশোধের পরও মাসের পর মাস পণ্য না পাওয়ায় মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) সকালে গুলশান থানায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-অরেঞ্জের বিরুদ্ধে মামলা করেন প্রতারণার শিকার গ্রাহক মো. তাহেরুল ইসলাম। মামলায় পাঁচ জনকে আসামি করা হয়।

আসামিরা হলেন, ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন, তার স্বামী মাসুকুর রহমান, আমানউল্ল্যাহ, বিথী আক্তার, কাউসার আহমেদ। মামলার পর অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবুবকর সিদ্দিকের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন ই-অরেঞ্জের মালিক সোনিয়া মেহজাবিন ও তার স্বামী মাসুকুর রহমান।

শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। বর্তমানে তারা কারাগারে রয়েছেন। তাদের দেশ ত্যাগেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

টিএইচ/এসকেডি