বড়দের মতো শিশুদেরও প্রয়োজন হয় পর্যাপ্ত ঘুমের। কারণ তারা সারাদিন অনেক বেশি দুরন্তপনায় সময় কাটায়। তাই দিনশেষে তাদের শরীর ও মনের জন্য বিশ্রামের প্রয়োজন হয়। কিন্তু কিছু শিশু থাকে যারা রাত হলেও ঘুমাতে চায় না। আবার ঘুমালেও দ্রুত উঠে যায়। যা তার জন্য তো বটেই, অন্যদের জন্যও কষ্টদায়ক হয়ে দাঁড়ায়। শিশুর ঘুম যদি কমে যায় তাহলে তার খাবারের দিকে নজর দিন। শিশুকে খেতে দিন এমন খাবার যেগুলো ঘুমে সহায়তা করবে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

ডুমুর

ডুমুর একটি অত্যন্ত উপকারী ফল। কিন্তু এটি এখনকার বেশিরভাগ মানুষেরই খাবারের তালিকায় থাকে না। পুষ্টিকর এই ফলে থাকে আয়রন, পটশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালশিয়াম। এই উপাদানগুলো মাসলকে রিলাক্স হতে সাহায্য করে। যে কারণে ডুমুর খেলে তা চোখে ঘুম নিয়ে আসতে কাজ করে দ্রুতই। তাই শিশুর খাবারের তালিকায় নিয়মিত ডুমুর রাখুন।

কলা

কলা তো আমাদের প্রায় সবার বাড়িতেই খাওয়া হয়, শিশুর পাতে নিয়মিত কলা দিচ্ছেন তো? শিশুর ঘুম যদি কমে যায় তবে তাকে প্রতিদিন কলা খেতে দিন। কারণ কলায় থাকে পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেশিয়ামের যা পেশিকে বিশ্রাম নিতে সাহায্য করে। এতে আরও থাকে ট্রিপটোফ্যান নামক একটি উপাদানের যা শরীরে সেরোটোনিন এবং মেলাটোনিন হরমোনের ক্ষরণ বাড়ায়। যে কারণে ঘুম চলে আসে খুব সহজেই। তাই শিশুর পাতে রাখুন উপকারী এই ফল।

​মিষ্টি আলু

মিষ্টি আলুর উপকারিতা সম্পর্কে জানা আছে কি? আপনার শিশুর প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় রাখুন অত্যন্ত উপকারী এই খাবার। নিয়মিত মিষ্টি আলু খেতে দিলে তা শিশুর শরীরে ভিটামিন ও খনিজের ঘাটতি মেটাতে কাজ করবে। সেইসঙ্গে এতে থাকা আরও অনেক উপকারী উপাদান শিশুর চোখে ঘুম নিয়ে আসবে। তাই আপনার শিশুকে এই সবজির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিন।

বাদাম

বাদামের গুণ রয়েছে অনেক। এটি আপনার শিশুর চোখে ঘুম এনে দিতেও কাজ করে। তাই শিশুকে নিয়মিত বাদাম খেতে দিতে হবে। বাদামে থাকা পর্যাপ্ত খনিজ পেশির বিভিন্ন ব্যথা দূর করতে কাজ করে। সেইসঙ্গে এতে থাকা ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডও শিশুর জন্য উপকারী। এই উপাদান শিশুর ঘুমে সহায়তা করবে। তাই পর্যাপ্ত ঘুম এবং সুস্থতার জন্য শিশুর খাবারের তালিকায় যোগ করতে হবে শুষ্ক এই ফল।

এইচএন