অনিয়মিত লাইফস্টাইল আর অস্বাস্থ্যকর খাওয়া-দাওয়ার কারণে শরীরে পুষ্টির ঘাটতি তৈরি হয়। আর তখনই শারীরিক ক্লান্তি ও দুর্বলতা দেখা দেয়। এনার্জি লেভেল বাড়তে আপনাকে খাদ্যাভ্যাসের ওপরই জোর দিতে হবে।

দিনের প্রথম খাবার পুষ্টিকর হওয়া চাই। এতে যত বেশি দানাশস্য রাখবেন, আপনার স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। ওটস, ব্রাউন রাইস ও কিনোয়ার মতো খাবার ফাইবারে ভরপুর হয়। এগুলো পেটকে ভর্তি রাখে ও এনার্জি জোগায়। এমনকি ওজনও কমায়।

দিনের শুরুতে চা-কফি না খাওয়াই ভালো। এতে থাকা ক্যাফেইন তাৎক্ষণিক এনার্জি জোগালেও পরে শারীরিক অস্বস্তি বাড়িয়ে তোলে। চেষ্টা করুন ক্যাফেইন ছাড়া চা খাওয়ার। এক্ষেত্রে গ্রিন টি, আদার চা কিংবা মিন্ট টি খেতে পারেন। এগুলো ক্লান্তি দূর করতেও সহায়ক।

সবসময় পাতে মৌসুমি শাকসবজি ও ফলমূল রাখুন। এতে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। এগুলো দেহে পুষ্টির ঘাটতি পূরণ করে ও শারীরিক দুর্বলতা কাটাতে সাহায্য করে।

দেহে কাজ করার শক্তির ঘাটতি যাতে না হয়, সেজন্য প্লেটে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার রাখুন। মাছ, মাংস, ডিম, ডাল ও পনিরের মতো খাবার থাকা প্রোটিন পেশির কার্যকারিতা এবং বৃদ্ধি বজায় রাখতে সাহায্য করে।

রোগের হাত থেকে সুরক্ষিত থাকতে গেলে প্রোবায়োটিক ডায়েটে রাখতে হবে। টক দই হলো প্রোবায়োটিকের সমৃদ্ধ উৎস। এছাড়া, সবজি দিয়ে তৈরি আচারেও প্রোবায়োটিক পাওয়া যায়। এসব খাবারও শারীরিক এনার্জি লেভেল বাড়াতে সাহায্য করে।

ভাজাপোড়া ও চিনি যুক্ত খাবার যত বেশি খাবেন, এনার্জি কমবে। মুখরোচক স্ন্যাকসের খোঁজে থাকলে স্বাস্থ্যকর খাবারই বেছে নিন। প্রক্রিয়াজাত স্ন্যাকস খেলে শরীরে রোগের ঝুঁকি বাড়বে।

মেজাজ ও এনার্জি লেভেলকে উন্নত করতে সেরোটোনিন যুক্ত খাবার খান। চিকেন, ডিম, চিজ, স্যামন, বাদাম, বীজ ও আনারসের মতো খাবারকে ডায়েটে রাখুন। এগুলো শারীরিক এনার্জি লেভেল বাড়াতে সক্ষম। 

কেএ