ছবি : সংগৃহীত

প্রতিদিন জাতীয় দৈনিকে অসংখ্য খবর প্রকাশিত হয়। সেইসব খবর থেকে আলোচিত কিছু খবরের সংকলন করা হলো।

আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা করতে বেসরকারি ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালকের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। এই নীতি মেনে সব ব্যাংকই স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দিয়েছে। কিন্তু ব্যাংকাররাই এখন তাঁদের বলছেন, ‘ভাই-মামাতো ভাই’। অর্থাৎ তাঁরা মালিকদেরই ঘনিষ্ঠ বা আস্থাভাজন। আর বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তাঁরা মালিকদেরই স্বার্থ দেখছেন।

এর পাশাপাশি অন্যান্য খবরগুলো দেখে আসি—

প্রথম আলো

বেসরকারি ব্যাংকের মামাতো ভাইয়েরা কার স্বার্থ দেখছেন

বেসরকারি ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালকদের ভূমিকা নিয়ে। কারণ, স্বতন্ত্র পরিচালক থাকার পরও কয়েকটি ব্যাংক নামে-বেনামে ও কাগুজে কোম্পানির নামে ঋণ দিয়েছে। এতে তারল্যসংকটে পড়েছে এসব ব্যাংক। আর আমানতকারীরা স্বস্তি পাওয়ার বদলে আতঙ্কগ্রস্ত হয়েছেন।

পদ্মা সেতুর এক্সপ্রেসওয়েতে ইমাদ পরিবহনের যে বাস দুর্ঘটনায় ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, সেই বাসের চলাচলের অনুমতি ছিল না। ছিল না ফিটনেস সনদও। তারপরও সেটি নিয়মিত ঢাকা থেকে খুলনার পথে যাত্রী পরিবহন করছিল।

প্রথম আলো

পুলিশকে খুশি করে এক্সপ্রেসওয়েতে চলছে অবৈধ বাস

পদ্মা সেতু চালুর পর দক্ষিণের পথে যাত্রী চাহিদা বেড়ে যায়। নতুন বাস নামাতে তারা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) বরাবর চলাচলের অনুমতির (রুট পারমিট) জন্য আবেদনও জমা দিয়েছে।

আরও পড়ুন >>> রেল যেভাবে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে 

আইন অনুযায়ী টেক্সটাইল কারখানা থেকে নির্গত তরল বর্জ্য সরাসরি নদীতে নিক্ষেপ নিষেধ। তবে আদতে সে আইন মানে না অধিকাংশ কারখানা। বিভিন্ন গবেষণায় বারবারই উঠে এসেছে যে দেশের নদ-নদী দূষণের ক্ষেত্রে বড় দায় টেক্সটাইল শিল্পের অপরিশোধিত তরল বর্জ্যের।

বণিক বার্তা

জাহাজ ভাঙাসহ ৭২ শিল্প অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত

সদ্য গেজেটভুক্ত পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা ২০২৩-এ টেক্সটাইল শিল্পকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়া জাহাজ ভাঙা শিল্পকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় না রাখার সিদ্ধান্ত থেকেও ফিরে এসেছেন নীতিনির্ধারকরা। নতুন বিধিমালায় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ শিল্পের তালিকায় জাহাজ ভাঙাসহ ৭২ ধরনের শিল্প অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংশোধিত বিধিমালা বাস্তবায়ন করা গেলে পরিবেশ দূষণ অনেকটাই কমে আসবে।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে রেকর্ড মূল্যস্ফীতি পার করছে বাংলাদেশ। দৈনন্দিন ব্যয় মেটাতেই হিমশিম খাচ্ছে সাধারণ মানুষ। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যাংকে থাকা সঞ্চয়ও ভেঙে ফেলতে হচ্ছে।

বণিক বার্তা

মূল্যস্ফীতিতে সঞ্চয় কমছে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, দেশের ব্যাংক খাতে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মোট আমানত ছিল ১৫ লাখ ৭৬ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩ লাখ ৪১ হাজার ৬৬৭ কোটি টাকা ছিল গ্রামীণ আমানত, কিন্তু ডিসেম্বরে এসে এর পরিমাণ ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৩৭৩ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। অর্থাৎ মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে ব্যাংকগুলোর গ্রামীণ আমানত কমে গেছে ৪ হাজার ২৯৪ কোটি টাকা। গতকাল প্রকাশিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শিডিউলড ব্যাংকস স্ট্যাটিসটিকসে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বদলি প্রসঙ্গে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ‘সততার বুলি’ আওড়ান। অনলাইন প্রক্রিয়ার বাইরে কোনো বদলি হয় না এ কথাই জোর দিয়ে বলেন তারা।

দেশ রূপান্তর

টাকা হলেই বদলি

২০২০ সালের মার্চ মাসের পর অনলাইন-বদলির সুযোগ না থাকলেও, টাকা হলেই বদলি হওয়া যায়। আগের কোনো তারিখে বদলির অনুমোদন দেখিয়ে জারি করা হচ্ছে আদেশ। এসব আদেশ অবশ্য ওয়েবসাইটে প্রদর্শিত হয় না।

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক, সহপাঠী, সিনিয়র বড় ভাই ও ক্ষেত্রবিশেষে বখাটেদের দ্বারা নারী শিক্ষার্থীর যৌন হয়রানি দিন দিন বাড়ছে। বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে গঠিত কমিটি অনেকাংশেই নিষ্ক্রিয়।

কালবেলা

যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ সেল এখনো নিষ্ক্রিয়

ভুক্তভোগীরা জানেন না কোথায় অভিযোগ জানাতে হবে। সে কারণেই এখনো ভুক্তভোগীরা ছুটে যান প্রক্টর অফিস কিংবা প্রতিকার কমিটির কাছে। এসব জায়গায় অভিযোগ জানিয়ে অস্বস্তিতে পড়তে হয় ভুক্তভোগীদের। অনেক ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ক্ষমতাবান বা রাজনৈতিক আশীর্বাদপুষ্ট হওয়ায় চাপের মুখে অভিযোগ তুলে নিতে হয়।

আমানত এবং ঋণের যে ভারসাম্যপূর্ণ শৃঙ্খলা থাকা দরকার, সেটা ভেঙে গেছে ১৭ ব্যাংকে। আগ্রাসী ঋণ দিয়েছে প্রচলিত ধারা ও শরিয়াহভিত্তিক এসব ব্যাংক। এতে লঙ্ঘিত হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের বেঁধে দেওয়া সীমা।

যুগান্তর

ঋণশৃঙ্খলা নেই ১৭ ব্যাংকে

বিদ্যমান পরিস্থিতিতে আমানতকারীদের জন্য বাড়তি ঝুঁকির সৃষ্টি হয়েছে-এমন শঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। তাদের মতে, ব্যাংকের ঋণশৃঙ্খলা ভেঙে যাওয়ার নেপথ্যে রয়েছে অনিয়ম, দুর্নীতি এবং বেনামি ঋণ।

আরও পড়ুন >>> দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি : সংসার আর চলে না 

সরকারি হিসাবে দেশের বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকের শূন্য পদ আছে ৬৮ হাজার ১৬৭। আর চাকরিপ্রত্যাশী যোগ্য প্রার্থী আছেন দেড় লাখের মতো। কিন্তু এর পরও ৫২ শতাংশের বেশি পদে কাউকে নিয়োগের সুপারিশ করতে পারেনি জাতীয় শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।

যুগান্তর

সুপারিশ আসেনি ৫২ শতাংশ পদে

এক সপ্তাহ ধরে বঞ্চিত প্রার্থীরা এনটিআরসিএতে ধরনা দিচ্ছেন। তাদের বেশিরভাগের দাবি-অপেক্ষাকৃত কম মেধাবী বা মেধাক্রমে নিচে থাকা প্রার্থীদের চাকরি দেওয়া হয়েছে।

সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের জন্য সরকারি তহবিল থাকলেও তা থেকে আজ পর্যন্ত কেউ ক্ষতিপূরণ পাননি। শিক্ষার্থীদের নজিরবিহীন আন্দোলনে পাস হওয়া সড়ক পরিবহন আইনের ৫৩(১) ধারা অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় হতাহতরা ক্ষতিপূরণ পাবেন আর্থিক সহায়তা তহবিল থেকে।

সমকাল

তহবিলে টাকা জমছে মিলছে না ক্ষতিপূরণ

চলতি বছরে এ তহবিলে শুধু মোটরসাইকেলের নিবন্ধন থেকে এককালীন ৬ কোটি ১০ লাখ টাকা চাঁদা এসেছে। সরকারি হিসাবেই বছরে ১০ হাজারের বেশি দুর্ঘটনায় হতাহত হলেও তহবিল পরিচালনায় ট্রাস্টি বোর্ড গঠনের পর প্রচার না থাকায় ক্ষতিপূরণ চেয়ে এ পর্যন্ত আবেদন জমা পড়েছে মাত্র ছয়টি।

এছাড়া খাতুনগঞ্জে বেচাকেনা ৩০% কমেছে; পরিবার-সমাজের নেতিবাচক মনোভাবে বোঝা হচ্ছে তারা; তিন মাসে ৯ বনে আগুন; সংবাদগুলো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।