বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে মালয়েশিয়ার মন্ত্রিসভার অনুমোদনের বিষয়টিকে ভালো খবর আখ্যা দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী যাওয়ার প্রক্রিয়ায় আমরা কোনো সিন্ডিকেট চাই না। কর্মী যাবে সিন্ডিকেটের বাইরে।

মালয়েশিয়ার মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের পর এক প্রতিক্রিয়ায় শুক্রবার (১০ ডিসেম্বর) রাতে ঢাকা পোস্টকে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ড. মোমেন বলেন, ‘আমরা একটা সুখবর পেয়েছি। মালয়েশিয়া আমাদের লোক নেবে। আমরা এটা নিয়ে কাজ করব। আমাদের হাইকমিশনার এটা নিয়ে কাজ করছেন, আমরাও কাজ করছি। সিন্ডিকেটের কারণে অনেক দিন ধরে এ শ্রমবাজারটা আটকে ছিল। এবার যা হবে সিন্ডিকেটের বাইরে হবে। আমরা আশা করছি, কর্মী যাওয়ার প্রক্রিয়া অনেক বেশি রেগুলেটেড হবে।’

সিন্ডিকেটের কারণে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারটিতে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জানিয়ে মোমেন বলেন, ‘সিন্ডিকেটের কারণে আমাদের এ শ্রমবাজারটায় ঝামেলা হয়েছে। যার কারণে মালয়েশিয়া সরকার আমাদের অনেক লোক পাঠিয়ে দিত, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে যাদের নেওয়া হতো তাদের। আমাদের হাইকমিশনার অনেক চেষ্টা করে এখন একটা লাইন ধরেছে। এবার ভালো কিছু হবে বলে আমরা আশাবাদী।’

মালয়েশিয়ার মন্ত্রিসভা শুক্রবার বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিতে শিগগিরই ঢাকার সঙ্গে চুক্তি সইয়ের অনুমোদন দিয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্বারক সইয়ের পরপরই বাংলাদেশ থেকে কর্মী নেওয়া শুরু করতে চায় মালয়েশিয়া। সব পেশার শ্রমিক নেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে দেশটির মন্ত্রিসভা। বিশেষ করে গৃহকর্মী, বাগান, কৃষি, উত্পাদন, পরিষেবা, খনি ও খনন এবং নির্মাণ খাতে বাংলাদেশি কর্মী নেবে দেশটি।

এদিকে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় শুক্রবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ আশা প্রকাশ করেছেন, চলতি মাসের মধ্যেই সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর সম্পন্ন হবে। তবে ঢাকা মালয়েশিয়ার লিখিত জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে বলেন জানান তিনি।

এনআই/এসএসএইচ