প্রতীকী ছবি

পবিত্র কোরআনের সূরা ফুরকানের জাহান্নাম থেকে মুক্তি, নেককার স্ত্রী-সন্তান ও মুত্তাকি হওয়ার দোয়া বর্ণিত হয়েছে। এখানে দোয়াগুলো তুলে ধরা হলো— 

জাহান্নাম থেকে মুক্তির দোয়া

رَبَّنَا اصۡرِفۡ عَنَّا عَذَابَ جَهَنَّمَ ٭ۖ اِنَّ عَذَابَهَا کَانَ غَرَامًا اِنَّهَا سَآءَتۡ مُسۡتَقَرًّا وَّ مُقَامًا

উচ্চারণ : রব্বানাছ-রিফ আন্না-আজাবা জাহান্নাম, ইন্না আজাবাহা কানা গারামা, ইন্নাহা ছা-আত মুছতাক্বার-রাও-ওয়া মুকামা।

অর্থ : ‘হে আমাদের প্রতিপালক! তুমি আমাদের থেকে জাহান্নামের শাস্তি দূর কর, তার শাস্তি তো ভয়াবহ বিপদ। ‘নিশ্চয় তা অবস্থানস্থল ও আবাসস্থল হিসেবে অত্যন্ত নিকৃষ্ট’। (সূরা ফুরকান, আয়াত, ৬৫-৬৬)

নেক সন্তান প্রার্থনা ও মুত্তাকি হওয়ার দোয়া

رَبَّنَا هَبۡ لَنَا مِنۡ اَزۡوَاجِنَا وَ ذُرِّیّٰتِنَا قُرَّۃَ اَعۡیُنٍ وَّ اجۡعَلۡنَا لِلۡمُتَّقِیۡنَ اِمَامًا

উচ্চারণ : রাব্বানা হাব-লানা মিন আঝওয়াজিনা ওয়া-যুররিয়্যাতিনা কুররা আ’ইউন, ওয়াজআল-লানা লিল-মুত্তাক্বিনা ইমামা।

অর্থ :  ‘হে আমাদের রব, আপনি আমাদেরকে এমন স্ত্রী ও সন্তানাদি দান করুন যারা আমাদের চক্ষু শীতল করবে। আর আপনি আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা বানিয়ে দিন’। (সূরা ফুরকান, আয়াত, ৭৪)

উল্লেখ্য, বান্দা দোয়া করলে আল্লাহ তায়ালা কবুল করেন এবং তিনি বান্দার দোয়ার অপেক্ষায় থাকেন। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে, ‘তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের জন্য সাড়া দেব।’ (সূরা গাফির, আয়াত, ৬০)

এজন্য নিজের যেকোনো প্রয়োজন, চাওয়া-পাওয়া, প্রত্যাশার ক্ষেত্রে আল্লাহ তায়ালার কাছে প্রার্থনা করা এবং প্রার্থনা অভ্যাস করে নিতে পারা মুমিনের জীবনের অন্যতম সৌভাগ্য। দোয়া যেমন একটি স্বতন্ত্র্য ইবাদত একইভাবে তা মানুষের তাকদির বা ভাগ্য পরিবর্তনের মাধ্যম।

এক হাদিসে হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘দোয়া ছাড়া কোনো কিছুই ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে না আর নেক আমল ব্যতীত হায়াত বৃদ্ধি পায় না।’  (সুনানে ইবনে মাজা', হাদিস, ৯০)