জয়ের জন্য শেষ দুই ওভারে দরকার ছিল ৪২ রান। হাতে মাত্র একটি উইকেট। ম্যাচের এমন অবস্থায় শেষ উইকেটে ব্যাট হাতে ক্রিজে ঝড় তুললেন সিলেট টাইটানসের খালেদ আহমেদ। দলকে জেতাতে না পারলেও চট্টগ্রাম রয়্যালসের ভক্তদের মনে ভীতি সঞ্চার করেন ঠিকই। খালেদের ৯ বলে ২৫ রানের ইনিংসের পরও ১৪ রানে হেরেছে সিলেট।

ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেটে ১৯৮ রান করে চট্টগ্রাম। জবাবে সবকটি উইকেট হারিয়ে ১৮৪ রান করে সিলেট।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে চট্টগ্রামকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানান সিলেট টাইটানসের অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। ব্যাট করতে নেমে ওপেনিং জুটিতে ৩৫ রান পায় চট্টগ্রাম। ১৫ বলে ১৮ রান করে আউট হন ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম শেখ।

দ্বিতীয় উইকেটে দারুণ জুটি গড়েন ওপেনার অ্যাডাম রসিংটন ও মাহমুদুল হাসান জয়। এসময় দুজন মিলে ৩৮ বলে তোলেন ৬০ রান। তাতেই বড় সংগ্রহের ভিত পেয়ে যায় চট্টগ্রাম। মাত্র ২১ বলে ৪৪ রান করে আউট হন জয়। এদিকে ৩৮ বলে ৪৯ রানে ফেরেন রসিংটন। আর ২০ বলে ২৫ রান করেন হাসান নাওয়াজ। ৮ বলে ১৩ রান আসে আসিফ আলীর ব্যাট থেকে।

শেষদিকে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন দলনেতা শেখ মেহেদী হাসান। মাত্র ১৩ বলে ৩৩ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। আর ৫ বলে ৬ রানে অপরাজিত থাকেন আমির জামাল।

সিলেটের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রুয়েল মিয়া। একটি করে উইকেটের দেখা পেয়েছেন মঈন আলী ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই।

রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো ছিল সিলেটের। পাওয়ার প্লেতেই আসে ৫০ রান। কিন্তু নিয়মিত উইকেট পতনের ধারা থামাতে পারেনি তারা। তাতেই ম্যাচ থেকে ক্রমান্বয়ে ছিটকে যায় মেহেদী হাসান মিরাজরা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৬ রানের ইনিংসটি খেলেন আফিফ হোসেন ধ্রুব। এছাড়া খালেদ ২৫, তৌফিক ২৩ ও ইথান ব্রুকস ২০ রান করেন। বাকিরা বিশের কোটা স্পর্শ করতে পারেননি।

চট্টগ্রামের হয়ে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন আমির জামাল। শরিফুল ইসলাম ও তানভীর ইসলাম দুটি করে উইকেট নেন। এছাড়া একটি করে উইকেটের দেখা পেয়েছেন আবু হায়দার রনি ও হাসান নাওয়াজ।

এমএমএম