ড. মো. সবুর খান-এর নেতৃত্বে এসিই ২০২৬-এ বাংলাদেশের গর্বিত উপস্থিতি

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত আমেরিকান কাউন্সিল অন এডুকেশন (এসিই) ২০২৬ সালের বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছেন। বিশ্ব উচ্চশিক্ষা অঙ্গনের অন্যতম এই সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ পর্যায়ের শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক এবং শিক্ষা প্রশাসকরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে ড. মো. সবুর খান প্যানেল ডিসকাশন স্পিকার হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। এই আলোচনায় অংশ নেন ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশান অফ ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্টস এর চেয়ারম্যান ড. ফার্নান্দো লেওন গার্সিয়া এবং নাফসা: অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্টারন্যাশনাল এডুকেটরস সংস্থার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. ফান্টা আও।
আলোচনার মূল বিষয় ছিল বৈশ্বিক উচ্চশিক্ষায় নেতৃত্বের পরিবর্তিত ধারা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব ও ভূমিকা।
এই সেশনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃবৃন্দ ও নীতিনির্ধারকরা অংশগ্রহণ করেন এবং আন্তর্জাতিকীকরণ, শিক্ষার্থী গতিশীলতা এবং ক্রমবর্ধমান জটিল বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধির কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন।
এছাড়া, ড. সবুর খান ইন্টারন্যাশনাল অ্যাসোসিয়েশান অফ ইউনিভার্সিটি প্রেসিডেন্টস (আইএইউপি) এর ট্রেজারার-নির্বাচিত সদস্য হিসেবে একই সম্মেলনের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত বোর্ড সভায় অংশগ্রহণ করেন। তার এই সম্পৃক্ততা বৈশ্বিক উচ্চশিক্ষা পরিচালনায় বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতিকে আরও দৃঢ় করে।
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক কার্যক্রম, একাডেমিক কূটনীতি এবং বৈশ্বিক উচ্চশিক্ষায় সহযোগিতা জোরদারে অঙ্গীকারের একটি সুস্পষ্ট প্রতিফলন হলো ড. সবুর খান-এর এই অংশগ্রহণ, যা ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বৈশ্বিক সম্পৃক্ততাকে আরও শক্তিশালী করেছে।
ড. মো. সবুর খানের এই অংশগ্রহণ বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। তার নেতৃত্বে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বৈশ্বিক পরিসরে আরও সুদৃঢ় অবস্থান তৈরি করছে এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, গবেষণা ও উদ্ভাবনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে।
আমেরিকান কাউন্সিল অন এডুকেশন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি প্রভাবশালী উচ্চশিক্ষা সংগঠন, যা ১৯১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
সংস্থাটি উচ্চশিক্ষা নীতি প্রণয়ন, নেতৃত্ব উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রতি বছর আয়োজিত তাদের বার্ষিক সম্মেলনটি বিশ্বজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃত্বের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মিলনমেলা হিসেবে বিবেচিত হয়।
এমএসএ