ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তথ্য চেয়ে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে তদন্ত কমিটি।
বিজ্ঞাপন
রোববার (২৯ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে নিজ বিভাগের অফিস কক্ষে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হন ওই শিক্ষিকা। ঘটনার পরপরই তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অবগত ব্যক্তিদের আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটির আহ্বায়কের দপ্তরে লিখিতভাবে তথ্য জমা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। এ ছাড়া, তদন্ত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের কাছ থেকেও তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
তদন্ত কমিটি আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, তদন্তের অগ্রগতির জন্য সংশ্লিষ্টদের নিয়ে গত ২৫ মার্চ আমাদের সভা হয়েছে। সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঘটনাস্থল পরিদর্শন, আলামত সংগ্রহ, শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সাক্ষ্য গ্রহণ, সাংবাদিক ও পুলিশের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এ ছাড়া, প্রয়োজন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে লিখিত তথ্য চাওয়া হবে।
প্রসঙ্গত, গত ৪ মার্চ বিকেল ৪টার দিকে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনে আসমা সাদিয়া রুনার নিজ অফিস কক্ষে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। পরে ওই কক্ষেই রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানকেও আত্মহননের চেষ্টা অবস্থায় দেখেছেন বলে জানান চিৎকার শুনে উদ্ধার করতে যাওয়া আনসার সদস্য ও কয়েকজন শিক্ষার্থী। পরে খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয়ের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসাপাতালে পাঠালে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিক্ষিকাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এএমকে
