জাবির এক বিভাগে সশরীরে পরীক্ষা স্থগিত

Dhaka Post Desk

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, জাবি

১৫ জানুয়ারি ২০২২, ০১:২৭ পিএম


জাবির এক বিভাগে সশরীরে পরীক্ষা স্থগিত

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) পরিসংখ্যান বিভাগে সশরীরে পরীক্ষা স্থগিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শনিবার (১৫ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নুরুল আলম ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

অধ্যাপক নুরুল আলম বলেন, পরিসংখ্যান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের দুইজন পরীক্ষার্থী করোনা আক্রান্ত বলে আমাকে জানিয়েছিলেন পরীক্ষা কমিটির সভাপতি। পরে বিষয়টি মাননীয় উপাচার্যকে জানাই। সবদিক বিবেচনা করে আপাতত এক সপ্তাহের জন্য বিভাগটিতে সশরীরে পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রোববার থেকে বৃহস্পতিবার (১৬-২০ জানুয়ারি) পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে।

আমরা বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসাকেন্দ্র এবং সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগাযোগ রাখছি। সেখানের পাওয়া তথ্য মতে, করোনা আক্রান্তের হার বেড়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে সব সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রতিনিয়ত সবকিছু পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে গত ৫ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে সশরীরে ক্লাস বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে সশরীরে ক্লাস বন্ধের কথা বলা হলেও চালু রাখা হয় পূর্ব নির্ধারিত পরীক্ষা ও ব্যবহারিক ক্লাসসমূহ।

করোনা পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রধান শামসুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, আক্রান্তের হার অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে নির্দিষ্ট তথ্য আমাদের কাছে নেই। আমরা নিয়মিত অবস্থা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবহিত করছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করলে কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক হলের গণরুমের শিক্ষার্থীদের করোনা আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। অনেক শিক্ষার্থী একসঙ্গে থাকার ফলে গণরুমে স্বাস্থ্যবিধি মানা অসম্ভব হয়ে পড়ছে বলে জানান শিক্ষার্থীরা।

আক্রান্ত শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা আইসোলেশন কক্ষ রাখা হয়েছে বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও আ ফ ম কামালউদ্দিন হলের প্রাধ্যক্ষ আ স ম ফিরোজ উল হাসান। 

তিনি বলেন, আমার হলের এক শিক্ষার্থীর করোনা আক্রান্তের খবর জেনেছি। সে মিনি গণরুমে থাকে। আপাতত তাকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। তার সঙ্গে যারা থাকত তাদেরও আলাদা রাখা হয়েছে। আক্রান্ত শিক্ষার্থী চাইলে বাড়িতে যেতে পারে অথবা আইসোলেশন কক্ষে থাকতে পারবে।

আলকামা/এসপি/আরএআর

Link copied