আমরা ভাত চাই না, টেকসই বেড়িবাঁধ চাই

Dhaka Post Desk

জেলা প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা

২৪ মে ২০২২, ০৬:৫৬ পিএম


আমরা ভাত চাই না, টেকসই বেড়িবাঁধ চাই

ত্রাণ চাই না, পরিত্রাণ চাই-স্লোগানে সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মে) বেলা ১২টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সামনে জেলা নাগরিক কমিটি, নারী কমিটি, আশাশুনি সদর ও শ্রীউলা ইউনিয়নবাসীর আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে সাতক্ষীরা নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব ও সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, সাতক্ষীরা পৌরসভার বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় জলাবদ্ধতা ও জলমগ্ন অবস্থা বিরাজ করে। অনেকের ঘরের মধ্যে পানি উঠে যায়।জলাবদ্ধতায় মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। আমরা সাতক্ষীরাবাসী এর থেকে পরিত্রাণ চাই।

সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যক্ষ আনিসুর রহিমের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম সচিব আলীনুর খান বাবলুর পরিচালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন পানি কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ আশেক ই এলাহী, আশাশুনি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস.এম হোসেনুজ্জামান, জাসদের সাতক্ষীরা শাখার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ইদ্রিস আলী, নাগরিক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক আজাদ হোসেন বেলাল, মানবাধিকার কর্মী মাধব চন্দ্র দত্ত, উদীচীর সভাপতি শেখ সিদ্দিকুর রহমান, ভূমিহীন নেতা কওছার আলী, সিপিবি নেতা মো. আবুল হোসেন, জেলা গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মাও. মোনায়েম হোসেন, জেলা নারী কমিটির সভাপতি শ্রীপ্রা সরকার, আসাদুল হক লাল্টু, পানি কমিটির তালা উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মো. জিল্লুর রহমানসহ আরও অনেকে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আমরা ভাত চাই না, টেকসই বেড়িবাঁধ চাই। নদী ভাঙনের মতো সৃষ্ট পরিস্থিতি আর দেখতে চাই না। আমরা পরিবার নিয়ে বাপ-দাদার ভিটায় থাকতে চাই, পানিতে নয়। আশাশুনিতে যত নদী আছে সেগুলো খনন করতে হবে। জলাবদ্ধতা নিরসনে সরকার কর্তৃক বরাদ্দকৃত অর্থ যথাযথভাবে খরচ করতে হবে। খাল খননের কাজে বরাদ্দের টাকা নয়-ছয় হচ্ছে।  সেজন্য তদারকি করতে হবে। বরাদ্দের ৩০ ভাগ নয় সমুদয় টাকা ব্যয় করতে হবে। প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে সাতক্ষীরা জেলার নিম্ন অঞ্চলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে ফসলের ক্ষেত ডুবে যায়। বহু বাড়ি-ঘর জলমগ্ন হয়ে পড়ে।

পরে একই দাবিতে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবিরের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন নাগরিক নেতৃবৃন্দ।

আকরামুল ইসলাম/এমএএস

Link copied