পড়বে না বলায় মাদরাসা শিক্ষার্থীকে শিকলে বেঁধে নির্যাতন

Dhaka Post Desk

ফেনী জেলা, প্রতিনিধি

১২ জুন ২০২২, ০৬:৩০ পিএম


পড়বে না বলায় মাদরাসা শিক্ষার্থীকে শিকলে বেঁধে নির্যাতন

ফেনীর দাগনভুঁইয়ার পূর্বচন্দ্রপুর ইউনিয়নের দেউলিয়া নুরানিয়া হাফেজিয়া মাদরাসার হেফজ বিভাগের এক মাদরাসা শিক্ষার্থীকে শিকল দিয়ে বেঁধে নির্মম নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১১ জুন) রাত ৩টায় নির্যাতনের শিকার শিশু জাহিদুল হাসান (৭) মাদরাসা থেকে পালিয়ে টহলরত পুলিশের গাড়ির সামনে পড়লে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। পরে রোববার সকালে নির্যাতনের ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষক ফখরুল ইসলামকে মাদরাসা থেকে আটক করে।

পুলিশ ও শিক্ষার্থীর বাবা আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, জাহিদুল হাসানকে চলতি বছরের শুরুতে মাদরাসায় হেফজ বিভাগে ভর্তি করানো হয়। মাদরাসাটিতে শিক্ষার্থীদের নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগ শোনা যেত। শনিবার মাদরাসায় গেলে জাহিদুল নির্যাতনের বিষয়টি জানায় তার বাবাকে। সে এ মাদরাসায় আর পড়বে না জানালেও তার বাবা বুঝিয়ে তাকে মাদরাসায় রেখে যান।

একপর্যায়ে অধ্যক্ষ বিষয়টি জানেন। এতে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে জাহিদুলকে মাদরাসার একটি কক্ষে শিকল দিয়ে বেঁধে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে জখম করেন। পরে রাত ৩টার দিকে জাহিদুল বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে পালিয়ে রাস্তায় গেলে টহলরত পুলিশের একটি দল তাকে দেখে উদ্ধার করে।

দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান ইমাম জানান, ঘটনার খবর পেয়ে সকালেই অভিযুক্ত অধ্যক্ষ ফখরুল ইসলামকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এনএ

Link copied