নৌকাবাইচ দেখতে ইছামতি পাড়ে মানুষের ঢল

Dhaka Post Desk

জেলা প্রতিনিধি, পাবনা

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:৩৯ এএম


অডিও শুনুন

পাবনার সাঁথিয়ায় ১০ দিনব্যাপী গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা শেষ হয়েছে। বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সাঁথিয়া বাজার সংলগ্ন ইছামতি নদীতে নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ সময় নৌকাবাইচ দেখতে নদী পাড়ে কয়েক হাজার মানুষের ঢল নামে। 

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ও পাবনা-১ (সাঁথিয়া-বেড়া) আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক টুকু। সাঁথিয়া পৌরসভার মেয়র মাহবুবুল আলম বাচ্চুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেড়া পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট আসিফ শামস রঞ্জন, সাঁথিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ দেলোয়ার,  সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদ হোসেন প্রমুখ।

এবারের নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতায় জেলা ও জেলার বাহির থেকে মোট ৮টি দল অংশ নেয়। ফাইনালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাগচী চেলেঞ্জার এবং রানারআপ হয়েছে মায়ের দোয়া আফ্রা। চ্যাম্পিয়ন এবং রানারআপ দল দুটিকে মোটরসাইকেল পুরস্কার দেওয়া হয়। অংশগ্রহণকারী  বাকি সবাইকে একটি করে ফ্রিজ পুরস্কার দেওয়া হয়।

dhakapost

এ সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শামসুল হক টুকু বলেন, নৌকাবাইচ আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মূল অনুষঙ্গ। এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব ও কর্তব্য। এতে গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষ আনন্দ উপভোগ করার সুযোগ পান। মাদক থেকে দূরে থাকতে হবে। খেলাধুলা মানুষকে সকল অনৈতিক কাজ থেকে দূরে রাখে। যুব সমাজকে ধ্বংক করে নেশা জাতীয় জিনিস। আর নেশাকে ধ্বংস করতেই প্রতি বছর ইছামতি নদী পাড়ে আয়োজন করা হয় নৌকাবাইচ। 

তিনি বলেন, বর্তমানে নদী-নালা খাল-বিল শুকিয়ে যাচ্ছে। অনেক নদী বিলীন হয়ে যাচ্ছে। সেটি প্রবাহমান রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনা দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর জীবদ্দশায় জেলায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ হওয়ায় ইছামতি নদী প্রবাহমান করে খাদ্য উৎপাদনের পাশাপাশি মৎস চাষে ব্যবহার করা যাবে। 

রাকিব হাসনাত/আরএআর

Link copied