৩০০ কিশোর-কিশোরীর সঙ্গে দৌড়ালেন বিশ্বভ্রমণকারী নাজমুন নাহার

স্বাস্থ্য সচেতনতা ও দেশপ্রেমের বার্তা ছড়িয়ে দিতে নোয়াখালীতে তিন শতাধিক কিশোর-কিশোরীর সঙ্গে ম্যারাথনে অংশ নিয়েছেন বিশ্বভ্রমণকারী নাজমুন নাহার।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে ১৮৪টি দেশে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা ওড়ানো এই ভ্রমণপ্রেমী নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) এলাকায় আয়োজিত ম্যারাথনে দৌড়ান।
সকালে নোবিপ্রির মূল ফটক থেকে শুরু হওয়া ম্যারাথনের উদ্বোধন করেন নাজমুন নাহার নিজেই। পুরো দৌড়জুড়ে তিনি কিশোর-কিশোরীদের পাশে থেকে উৎসাহ দেন এবং তাদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
জানা গেছে, নোবিপ্রির স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ব্লাড ব্রিগেড-এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘রান ফর বাংলাদেশ ২০২৬’ ম্যারাথনটি ২ কিলোমিটার ও ৭.৫ কিলোমিটার এই দুই ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয়। এটি সংগঠনটির আয়োজনে দ্বিতীয়বারের মতো বড় পরিসরের রানিং ইভেন্ট। দেশপ্রেম, মানবিকতা ও সুস্থ জীবনধারার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
আয়োজকরা জানান, কিশোর-কিশোরীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরতেই এই ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরাও এমন উদ্যোগে অংশ নিতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে এবং ভবিষ্যতে নিয়মিত খেলাধুলা করার অঙ্গীকার জানায়।
ম্যারাথন শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদ ও স্মারক প্রদান করা হয়। আয়োজকদের আশা, নাজমুন নাহারের এই অংশগ্রহণ তরুণ সমাজকে আরও বেশি স্বাস্থ্যসচেতন ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করবে।
আয়োজক মো. আবদুল্লাহ আল মামুন ঢাকা পোস্টকে বলেন, রান ফর বাংলাদেশ ২০২৬ কেবল একটি দৌড় প্রতিযোগিতা নয়। এটি তরুণদের মধ্যে দেশপ্রেম, মানবিক চেতনা ও সক্রিয় নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার একটি উদ্যোগ। ভবিষ্যতে এই আয়োজন আরও বৃহৎ পরিসরে নিয়মিত ইভেন্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে বলে আমরা আশাবাদী।
ম্যারাথন শেষে নাজমুন নাহার ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমি ১৮৪টি দেশে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকা বহন করেছি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তরুণদের বলতে চাই—স্বপ্ন দেখো, নিয়মিত শরীরচর্চা করো এবং নিজের দেশকে ভালোবাসো। আজকের এই দৌড় সেই বার্তাই পৌঁছে দেওয়ার একটি প্রয়াস।
হাসিব আল আমিন/আরকে