যশোরের শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিত হলেন নড়াইলের ইউএনও

Dhaka Post Desk

জেলা প্রতিনিধি, যশোর

০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:১২ পিএম


যশোরের শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিত হলেন নড়াইলের ইউএনও

বেগম রোকেয়া দিবস ও আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ উপলক্ষ্যে যশোর জেলার শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিত হয়েছেন নড়াইল সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া ইসলাম। তিনি শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে একজন সফল নারী হিসেবে এ স্বীকৃতি পেয়েছেন। এর আগেও তিনি শার্শা উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিত হয়েছিলেন।

সাদিয়া ইসলাম যশোর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ কেএম নজরুল ইসলামের কন্যা। তার মাতা আলহাজ জেবুন্নেসা খানম সফল জননী নারী হিসেবে গত বছর যশোর জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতা নির্বাচিত হয়েছিলেন। 

শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) দুপুরে যশোর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে শ্রেষ্ঠ জয়িতা হিসেবে সাদিয়া ইসলামের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন যশোর জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান। 

এসময় যশোর জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আনিচুর রহমান সহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে শুক্রবার সকালে শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে সাদিয়া ইসলামকে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জয়িতা হিসেবে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। 

জানা গেছে, শ্রেষ্ঠ জয়িতা সাদিয়া ইসলাম ২০০৪ সালে যশোরের শার্শা পাইলট হাই স্কুল থেকে এসএসসি, ২০০৬ সালে যশোর ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ে অনার্স-মাস্টার্স পাস করেন। তিনি পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াকালীন উপস্থিত বক্তৃতায় জাতীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একজন আবৃত্তি শিল্পী। ঢাকা বিশ্বদ্যিালয়ে পড়াকালীন জাতীয় শিল্পকলা একাডেমীতে আয়োজিত কবিতা উৎসবসহ বিভিন্ন জাতীয় প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেছেন।

সাদিয়া ইসলাম ২০১৪ সালে ৩৩তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারে যোগদান করেন। যোগদানের পর নীলফামারী ও সাতক্ষীরা জেলায় সহকারী কমিশনার হিসেবে, দিনাজপুর জেলার বিরল, ও বোচাগঞ্জ উপজেলায় সহকারী কশিনার (ভূমি) এবং খুলনার তেরখাদা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। 

সর্বশেষ ২০২১ সালের ৬ মে  নড়াইল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে যোগদান করেন। সম্প্রতি জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২২ এর খুলনা বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হন। 

এ্যান্টনি দাস অপু/এমএএস

Link copied