বিজ্ঞাপন

জুলাইয়ের শহীদ পরিবারে নতুন অতিথি, মিষ্টি নিয়ে গেলেন হান্নান মাসউদ

অ+
অ-
জুলাইয়ের শহীদ পরিবারে নতুন অতিথি, মিষ্টি নিয়ে গেলেন হান্নান মাসউদ

জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া নোয়াখালীর বীর সন্তান মাহমুদুল হাসান রিজভীর পরিবারে এসেছে নতুন অতিথি রিজভীর দুই দিন বয়সী ছোট বোন।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে এই আনন্দঘন মুহূর্তে নবজাতককে দেখতে ও শুভেচ্ছা জানাতে শহীদ রিজভীর মাইজদি বার্লিংটন মোড় সংলগ্ন বাড়িতে ছুটে যান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য-সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ।

এ সময় তিনি শহীদ পরিবারের হাতে মিষ্টি ও উপহার সামগ্রী তুলে দেন এবং নবজাতকের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য ইমরান হোসাইন তুহিন, জেলা আহ্বায়ক পদপ্রার্থী কাজী মাঈন উদ্দীন তানভীর, যুবশক্তির আহ্বায়ক পদপ্রার্থী ইয়াছিন আরাফাত, বাগছাস নেতা মেহেদী হাসান সীমান্ত, শ্রমিক উইংয়ের শফিক আলম আসিফ এবং প্রকৌশলী উইংয়ের ইঞ্জিনিয়ার হেদায়েত উল্লাহ প্রমুখ।

এ বিষয়ে হান্নান মাসউদ বলেন, গতকাল সন্ধ্যায় হাতিয়া থেকে ফেরার পথে আমি রিজভীর কবর জিয়ারত করছিলাম। তখন রিজভীর ছোট ভাই রিমন আমাকে হোয়াটসঅ্যাপে জানায়, তাদের পরিবারে নতুন অতিথি এসেছে। খবরটি শুনে আমি খুব আনন্দিত হই। তবে তখন দেরি হয়ে যাওয়ায় যাওয়া সম্ভব হয়নি। আজ জেলা নেতৃবৃন্দকে নিয়ে রিজভীর ছোট বোনকে দেখতে এসেছি।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, রিজভী আমাদের ভাই, আমাদের প্রেরণা। তার পরিবারের প্রতি আমাদের দায়িত্ব ও ভালোবাসা সমানভাবে থাকবে। জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত প্রতিটি পরিবারের পাশে আমরা আছি, থাকব। তাদের ত্যাগ আমাদের আন্দোলনের প্রেরণার উৎস।

প্রসঙ্গত, শহীদ মাহমুদুল হাসান রিজভী লক্ষ্মীপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রিক্যাল ট্রেডের অষ্টম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি হাতিয়ার চরকিং ইউনিয়নের মো. জামাল উদ্দিনের ছেলে। পরিবারের অজান্তে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

২০২৪ সালের ১৮ জুলাই ঢাকার উত্তরা পূর্ব থানার সামনে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভে পুলিশ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের হামলায় আহত হন রিজভী। ফ্লাইওভারের ওপর থেকে ছোড়া গুলিতে তার মাথা ক্ষতবিক্ষত হয়। পরে রাত ১০টার দিকে তিনি ক্রিসেন্ট হাসপাতালে শহীদ হন।

পরিস্থিতি অনুকূল না থাকায় তার মরদেহ নিজ গ্রামে নেওয়া সম্ভব হয়নি। নদীর ওপারে নানার বাড়ি হরণী ইউনিয়নের পূর্ব মোহাম্মদপুরে গোপনে তাকে দাফন করা হয়।

হাসিব আল আমিন/এআরবি