বিজ্ঞাপন

২৩ মাস পর যমুনা সার কারখানায় গ্যাস সংযোগ

অ+
অ-
২৩ মাস পর যমুনা সার কারখানায় গ্যাস সংযোগ

জামালপুরের যমুনা সার কারখানায় দীর্ঘ ২৩ মাস পর গ্যাস সংযোগ দেওয়া হয়েছে। আবারও অ্যামোনিয়া ও ইউরিয়া উৎপাদনের কার্যক্রম শুরু করবে কারখানাটি। তবে যন্ত্রাংশের কিছুটা মেরামত করে পুরোপুরি উৎপাদনে যেতে প্রায় ২ সপ্তাহ সময় লাগবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বিজ্ঞাপন

সোমবার (২৪ নভেম্বর) যমুনা সারকারখানায় গ্যাস সরবরাহ করে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কম্পানি।

বিষয়টি যমুনা সার কারখানার মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত যমুনা সার কারখানায় বিরতিহীনভাবে সার উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৪২ থেকে ৪৩ পিএসআই গ্যাসের চাপের প্রয়োজন হয়। কিন্তু গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি গ্যাস সংকটের কারণে ২০২৪ সালের ১৫ জানুয়ারির দিকে সার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। গ্যাস সংকটে ১৩ মাস কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকার পর চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারিতে উৎপাদন শুরু করে শুরু করে যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড। পরে ওই মাসের ২৬ তারিখে অ্যামোনিয়া প্ল্যান্টের যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় আবারও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘদিন পরে কারখানায় গ্যাস পাওয়ায় খুশি কারখানার কর্মকর্তা, কর্মচারী, শ্রমিক, যমুনার ডিলার ও স্থানীয় এলাকাবাসী।

বিজ্ঞাপন

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে প্রতিষ্ঠিত যমুনা সার কারখানায় প্রতিদিন ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদনের সক্ষমতা নিয়ে ১৯৯১ সালে বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু করে দেশের অন্যতম দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড। তবে গ্যাসের কম চাপ ও বিভিন্ন সমস্যার জন্য ১ হাজার ২৫০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন করে আসছিল কারখানাটি। জামালপুর, শেরপুর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জসহ উত্তরাঞ্চলের ২১টি জেলার ১৬২টি উপজেলায় বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) প্রায় ১ হাজার ৯০০ ডিলারের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে সার সরবরাহ করে থাকে যমুনা সার কারখানা।

যমুনা সার কারখানার মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন বলেন, ২০২৪ সালের শুরু থেকে গ্যাস সংকটের কারণে কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ আছে। ২৪ নভেম্বর থেকে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন আন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি যমুনায় গ্যাসের চাপ বাড়িয়ে দিয়েছে। কারখানার যন্ত্রাংশের কিছুটা মেরামত করে অ্যামোনিয়া ও ইউরিয়া পুরোপুরি উৎপাদনে যেতে প্রায় ২ সপ্তাহ সময় লাগবে।

মুত্তাছিম বিল্লাহ/এএমকে

বিজ্ঞাপন