বিকেলের পর থেকে মোবাইল বন্ধ, পরদিন সকালে মাঠে মিলল ব্যবসায়ীর মরদেহ

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের জামালপুর গ্রাম থেকে হামিদুল মন্ডল (৫০) এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি জামালপুর গ্রামের মৃত মমতাজ মন্ডলের ছেলে এবং পেশায় ধান ব্যবসায়ী।
রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে গ্রামের পাশের একটি মাঠে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা শেরপুর থানা পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে ব্যবসার টাকা সংগ্রহের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন হামিদুল মন্ডল। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। রোববার সকালে গ্রামের নিকটবর্তী একটি জমিতে তার নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- তাকে হত্যা করে মরদেহ সেখানে ফেলে রাখা হয়েছে।
নিহতের বড় ভাই গোলাম মোস্তফা জানান, হামিদুল একজন পেশাদার ধান ব্যবসায়ী ছিলেন। ব্যবসায়িক লেনদেনের কারণে তার কাছে নগদ টাকা থাকার কথা। ধারণা করা হচ্ছে- টাকা লুটের উদ্দেশ্যেই দুষ্কৃতকারীরা তাকে হত্যা করে নির্জন স্থানে মরদেহ ফেলে রেখে যায়।
নিহতের স্ত্রী রাফিয়া বেগম বলেন, গতকাল বিকেলে আমার সঙ্গে ওর শেষ কথা হয়েছিল। এরপর থেকেই মোবাইল ফোন বন্ধ পাই। সারারাত ফোন বন্ধ ছিল। আজ সকালে তার মরদহে পাওয়ার খবর পেলাম।
খবর পেয়ে শেরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে শেরপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আলী বলেন, মরদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি একটি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। আমরা ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছি। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।
আব্দুল মোমিন/আরএআর