• সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
    জেলার খবর
  • খেলা
  • বিনোদন
  • জবস

বিজ্ঞাপন

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: মো. কামরুল ইসলাম

গোপনীয়তার নীতিব্যবহারের শর্তাবলিযোগাযোগআমাদের সম্পর্কেআমরাআর্কাইভবিজ্ঞাপন

৯৫ সোহরাওয়ার্দী এভিনিউ, বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোন, ঢাকা ১২১২।

+৮৮০ ৯৬১৩ ৬৭৮৬৭৮

phone+৮৮০ ১৩১৩ ৭৬৭৭৪২

whatsapp+৮৮০ ১৭৭৭ ৭০৭৬০০

info@dhakapost.com

বিজ্ঞাপন

  1. সারাদেশ
  2. নোয়াখালী

ছয় মামলার আসামিকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা, ডাকাত আখ্যা দিয়ে মিষ্টি বিতরণ

জেলা প্রতিনিধি
জেলা প্রতিনিধিনোয়াখালী
১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:০৪
অ+
অ-
ছয় মামলার আসামিকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা, ডাকাত আখ্যা দিয়ে মিষ্টি বিতরণ

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় ছয় মামলার আসামি মিজানুর রহমান রনি ওরফে কানা মিজানকে (৩৫) প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। 

বিজ্ঞাপন

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে কবিরহাট উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের কালিরহাট বাজারসংলগ্ন কাজী বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর নিহতকে ডাকাত আখ্যা দিয়ে একদল যুবক বাজারে মিষ্টি বিতরণ করলে বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি করে।

নিহত মিজানুর রহমান কবিরহাট পৌরসভার জৈনদপুর এলাকার মো. শহীদের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি, দুটি চুরি, একটি অস্ত্র মামলা ও সরকারি কর্মচারীর ওপর হামলাসহ অন্তত ছয়টি মামলা রয়েছে। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় কালিরহাট বাজারে ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির একটি নির্বাচনী বৈঠক চলাকালে মিজান সেখানে উপস্থিত হয়ে নিজেকে দলের ত্যাগী কর্মী দাবি করেন। এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি ও বাগবিতণ্ডা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে তাকে ধাওয়া দিলে তিনি সেখান থেকে চলে যান।

বিজ্ঞাপন

পরে কালিরহাট বাজারের উত্তরে কাজী বাড়ির সামনে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে আটক করে লাঠি ও লোহার পাইপ দিয়ে মুখ ও মাথায় এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ সড়কে ফেলে রাখা হয়।

খবর পেয়ে কবিরহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা একটি লাঠি ও একটি লোহার পাইপ উদ্ধার করা হয়। নিহতের পকেট থেকে একটি খেলনা পিস্তল ও একটি টিপ ছুরি পাওয়া গেছে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেন, নিহত মিজানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ ছিল।  ঘটনার পর তাকে ডাকাত আখ্যা দিয়ে বাজারে মিষ্টি বিতরণ করা হয়, যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

নিহতের স্বজনরা বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকে কষ্ট করে মানুষ হয়েছি। আমাদের আত্মীয় স্বজনরা জানে আমাদের কষ্টের কথা। অথচ মিজানকে এভাবে মেরেছে তা আমরা মানতে পারি না। তার পুরো মুখ থেতলে দিয়েছে। দেশে আইন আছে। যারা হত্যা করেছে তাদের বিচার চাই।

 হারুনুর রশীদ হারুন নামের স্থানীয় এক বিএনপি নেতা বলেন, আমরা অফিসে বসে নির্বাচনী আলোচনা করছিলাম। এ সময় মিজান এলে কথা কাটাকাটি হয়। পরে সে চলে যায়। এরপর কে বা কারা তাকে হত্যা করে মরদেহ রাস্তায় ফেলে যায়। মিষ্টি খাওয়ানোর বিষয়ে কিছু জানি না।

কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজামুল উদ্দিন ভুঁইয়া ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গণপিটুনিতে এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সুরতহাল প্রতিবেদন করা হয়েছে। নিহতের পরিবার এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হাসিব আল আমিন/আরকে

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

হত্যা

ফলো করুন

MessengerWhatsAppGoogle News

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

প্রশ্নের মুখে ট্রাইব্যুনাল, স্বচ্ছ তদন্তের তাগিদ

‘কোটি টাকার ঘুষ দাবি’প্রশ্নের মুখে ট্রাইব্যুনাল, স্বচ্ছ তদন্তের তাগিদ

তারাবির নামাজে ছিল স্বজনরা, ফাঁকা ঘরে বৃদ্ধাকে হত্যা করে লুটপাট

তারাবির নামাজে ছিল স্বজনরা, ফাঁকা ঘরে বৃদ্ধাকে হত্যা করে লুটপাট

ভাতিজাকে থাপ্পড়ের জেরে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন

ভাতিজাকে থাপ্পড়ের জেরে বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন

শহীদদের রক্তেই শিবিরের বিস্তার : সিবগাতুল্লাহ সিবগা

শহীদদের রক্তেই শিবিরের বিস্তার : সিবগাতুল্লাহ সিবগা