আমার শাশুড়িকে জাহান্নামের ভয় দেখিয়ে ভোট চায় তারা : বিএনপি প্রার্থী

যশোরের ঝিকরগাছায় জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ মিথ্যা দাবি করেছেন যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাবিরা সুলতানা।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই দাবি করেন।
সাবিরা সুলতানা বলেন, গত ২৫ জানুয়ারি পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী আমার বাড়িতে ভোট চাইতে যান ওই কর্মীরা। সেই সময় বাড়িতে থাকা আমার শাশুড়ি ও জা তাদের বলেন, এই বাড়িতে একজন প্রার্থী আছেন, তাহলে এই বাড়িতে এসে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ভোট চাওয়া বোকামি নয় কি?
তখন জামায়াতের নারী কর্মীরা জবাব দেন, দাঁড়িপাল্লায় ভোট না দিলে জান্নাতবঞ্চিত হবেন, মোনাফেক হবেন। এই কথা বলার পর নারী কর্মীদের সঙ্গে মৌখিক তর্ক-বিতর্ক হয়। তারপর তারা বাড়ি ছেড়ে চলে যান।
সাবিরা সুলতানা আরও বলেন, গত ২৫ জানুয়ারি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা. মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ তার নারী কর্মীদের মারপিট ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। যা সম্পূর্ণ অসত্য ও ভোটের মাঠে ফায়দা লোটার অপকৌশল মাত্র। ঝিকরগাছার কীর্তিপুর গ্রামে জামায়াতের নারী কর্মীদের ওপর কোনো হামলা বা শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটেনি।
সাবিরা বলেন, এ ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে জামায়াত প্রার্থী মিথ্যা অভিযোগ ও নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন। এমনকি নারীদের শ্লীলতাহানি করার যে অভিযোগ করা হয়েছে তা অত্যন্ত অপমানের। নারী প্রার্থী হিসেবে যেখানে নারীদের মর্যাদা রক্ষায় প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তখন এমন নোংরামি নির্বাচনি মাঠে ঘায়েল করার ষড়যন্ত্র বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি দাবি করেন, তার জনপ্রিয়তায় আতঙ্কিত হয়ে একটি কুচক্রিমহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক প্রচারণা চালাচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন প্রমুখ।
রেজওয়ান বাপ্পী/এএমকে