‘জামায়াতের নেতারা কীভাবে বলছেন, তাদের বিজয় সুনিশ্চিত?’

বিএনপির মানবাধিকার বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট সৈয়দা আশিফা আশরাফি পাপিয়া বলেছেন, আজকে যখন ধানের শীষের প্রতীকের ব্যাপক জোয়ার, ওদের তখন মাথা খারাপ হয়ে গেছে। ওরা তখন কিভাবে এই জোয়ারকে নষ্ট করবে সেই চেষ্টা করছে। তারা আবার বলে, তাদের বিজয় নাকি সুনিশ্চিত। আজকে প্রশ্ন করতে চাই, তাহলে কি ২০০৮ সালের ফর্মেটের ভোট করবেন নাকি? যে আপনাদের বিজয় সুনিশ্চিত। আজকে জেলা প্রশাসনকে বলতে চাই, কীভাবে জামায়াতের নেতারা বলে, তাদের বিজয় সুনিশ্চিত। আমি তো বলতে পরি না। চারবার পাঁচবার নির্বাচিত হওয়ার পরও বলতে পারি না যে, বিজয় সুনিশ্চিত। আল্লাহ যদি ভাগ্যে রাখে, জনগণ যদি ঠিকঠাক মতো ভোট দিতে পারে, ভোটের রেজাল্টে আল্লাহ যদি জেতায় তখন বুঝব আমি জিতলাম।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সোমবার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নে এক নির্বাচনী সভায় এই আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। ডিসি সাহেব এসপি সাহেব, কীভাবে বলে তাদের বিজয় সুনিশ্চিত। এর রহস্যটা কী? ওই গ্রামীণ ব্যাংকে চাকরি করতো সাব্বির। আজকে ইউনুসের এপিএস, আর ছাত্রশিবিরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতা মাহবুব, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার এপিএস। কোন নীল নকশা করছেন? তাই মা-বোনেরা ঝাটা আর পুরুষ লোকেরা ঈমান নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যাবেন সকাল ৮টায়। ভোট দিয়ে নির্বাচন হলে করে তারপরে চিন্তা করবেন নির্বাচিত হয়েছেন না হননি। তার আগেই আপনি বলছেন আপনার বিজয় সুনিশ্চিত। আমি তো বলতে পারি না।
৯৯৯ ফোন দেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, মা-বোনেরা আমি সেদিন বলেছিলাম আইডি কার্ড আপনাদের কাছ থেকে যারা নিয়েছে, স্বাক্ষর নিয়েছে, ফোন নাম্বার নিয়েছে, তাদের বাড়িতে গিয়ে চাবেন, না দিলে ৯৯৯ ফোন দিয়ে দেবেন। ৯৯৯ ফোন দেওয়ার কথা বলায় রাকসুর এক মেয়ে বলছে পাপিয়া আপা আমি আসছি, ওয়েলকাম। আমি যেমন প্রকাশ্য দিবালোকে রাজনীতি করি, তোমরাও করো এটাই আমি চাই। ওই গুপ্ত হবা, বর্ণ হবা এইসব আমি চাই না।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হারুনুর রশীদ। নির্বাচনী সভায় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আশিক আলী/আরকে