আচরণবিধি লঙ্ঘন : কুড়িগ্রাম-১ আসনের জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ

কুড়িগ্রাম-১ সংসদীয় আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলামকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে শোকজ করা হয়েছে। শিশু ও শিক্ষার্থীদের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহার করার অভিযোগে এই নোটিশ দেওয়া হয়।
কুড়িগ্রাম-১ (নাগেশ্বরী-ভূরুঙ্গামারী) আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সিভিল জজ মুহাম্মদ আয়াজ জামায়াতের ওই প্রার্থীকে শোকজ নোটিশ প্রদান করেন।
জানা যায় , কুড়িগ্রাম-১ দাঁড়িপাল্লা ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, একটি মাদ্রাসার শিশু শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে মিছিল ও প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন আনোয়ারুল ইসলাম। বিষয়টি নিয়ে দ্রুত জনসমক্ষে এলে আলোচনা শুরু হলে তা নির্বাচন প্রশাসনের নজরে আসে।
নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, শিশু ও শিক্ষার্থীদের কোনো ধরনের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
শোকজ নোটিশে বলা হয়েছে, নাগেশ্বরী পৌরসভার হাশেম বাজার পশ্চিম পয়রাডাঙ্গা আলিম মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীদের দাঁড়িপাল্লা মার্কার সমর্থনে স্লোগান দেওয়া হয়েছে। সেখানে আপনি (জামায়াত প্রার্থী) স্বয়ং উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আপনার উপস্থিততে বিভিন্ন সমাবেশ, মিছিল ও সভায় রঙ্গিন ব্যানার ব্যবহার করা হয়েছে। এই ধরণের কার্যক্রম সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘন। এমতাবস্থায় বর্ণিত অভিযোগের প্রেক্ষিত আপনার বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের কারণে
আগামীকাল রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় কুড়িগ্রাম চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনে সশরীরে উপস্থিত হয়ে কেন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে লিখিত ও মৌখিকভাবে কারণ দর্শাতে হবে।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম-১ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. আনোয়ারুল ইসলাম শোকজপত্র পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ওই ভিডিওটি প্রতীক পাওয়ার আগের ছিল। সম্প্রতি কেউ একজন সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ায় বিব্রতকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। শোকজ পত্র পেয়েছি, দেখা যাক সেখানে গিয়ে এর ব্যাখ্যা দেব।
নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সদস্য ও সিভিল জজ মুহাম্মদ আয়াজ জানান, দুইটি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।
মমিনুল ইসলাম বাবু/এমএন