নেত্রকোণায় ১১০টি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে থাকবে বডি ওর্ন ক্যামেরা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ এ নেত্রকোণায় ১১০টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম।
এ সময় তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে নেত্রকোণায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ১১০টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ১১০টি অনলাইন এবং ২৬৬টি অফলাইন বডি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নেত্রকোণা পুলিশ লাইনস মাঠে নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গৃহীত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা সংক্রান্ত ব্রিফিং প্যারেড শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান।
পুলিশ সুপার বলেন, ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই দেশের মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছে। সেই প্রত্যাশা পূরণে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে জনগণকে আহ্বান জানাই, আপনারা নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে এসে সারিবদ্ধভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নিরাপদে বাড়ি ফিরে যাবেন। ভোটকেন্দ্রে আসা-যাওয়ার পথে কিংবা কেন্দ্রের ভেতরে কেউ কোনো ধরনের অপকর্মের চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নেত্রকোণার ৫টি সংসদীয় আসনে মোট ৬৭৬টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ১১০টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ১১০টি অনলাইন এবং ২৬৬টি অফলাইন বডি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
নির্বাচন ও গণভোট সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে জেলায় মোট ১ হাজার ৮৯০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। এছাড়া আনসার, বিজিবি, র্যাব ও সেনা সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য মাঠে থাকবেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন শেরপুর ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান জুয়েল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রেজওয়ান আহমেদ, মিডিয়া মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হাফিজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) স্বজল কুমার সরকারসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
চয়ন দেবনাথ/আরকে