পিরোজপুরে বিএনপি নেতাসহ ২ জনকে কুপিয়ে জখম

পিরোজপুরে সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মহিউদ্দিন মল্লিক নাসির (নাসির মল্লিক) ও তার ভাইয়ের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন মল্লিক নিপুকে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলার পাড়েরহাট বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জড়িত সন্দেহে তাকরিম মোল্লা (২৫) নামে একজনকে আটক করে তার মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করেছে এলাকাবাসী।
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আটক তাকরিম মোল্লা পিরোজপর সদর উপজেলার বাদুরা গ্রামের মাওলানা সাইফুল ইসলামের ছেলে।
আহত মহিউদ্দিন মল্লিক নাসির (নাসির মল্লিক) পিরোজপুর সদর উপজেলার সংকরপাশা গ্রামের মোদাহার মল্লিকের ছেলে। তিনি পিরোজপুর সদর উপজেলার বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক। এছাড়া আহত রিয়াজ উদ্দিন মল্লিক নিপু একই গ্রামের শাহজাহান মল্লিকের ছেলে। তিনি সম্পর্কে মহিউদ্দিন মল্লিক নাসিরের ভাইয়ের ছেলে।
প্রতক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত তাকরিম মোল্লা মোটরসাইকেলযোগে পিরোজপুর থেকে ইন্দুরকানির দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় জড়িত সন্দেহে এলাকাবাসীরা তাকে আটক করে গণপিটুনি দেয় এবং তার সাথে থাকা মোটরসাইকেলটিতে অগ্নিসংযোগ করে। পরে পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একটি দল তাকে উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নেয়।
এ বিষয়ে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদ হাসান বলেন, ডিবি পুলিশ তাকে উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
প্রসঙ্গত, গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কয়েকটি মোটরসাইকেলে এসে একদল দুর্বৃত্ত অতর্কিতভাবে ধারালো অস্ত্র নিয়ে উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মহিউদ্দিন মল্লিক নাসির (নাসির মল্লিক) ও তার ভাইয়ের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন মল্লিক নিপুর ওপর হামলা চালায়। এতে দুজনই শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরবর্তীতে নাসির মল্লিকের অবস্থার অবনতি হলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সযোগে তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়।
শাফিউল মিল্লাত/এসএইচএ