প্রতিমন্ত্রী করে গৌরীপুরবাসীকে বিরল সম্মান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম. ইকবাল হোসেন বলেছেন, আমাকে প্রতিমন্ত্রী করার মধ্য দিয়ে গৌরীপুরবাসীকে বিরল সম্মান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব একদম সুচারুভাবে পালন করতে পারি, সেজন্য সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি। যে দফতরে আমি আছি, সে দফতর থেকে এলাকার উন্নয়নে অনেক কাজ করা যেতে পারে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার বালুয়ামোড় এলাকায় এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম. ইকবাল হোসেন বলেন, আমি আগে ১১টা বা ১২টার দিকে ঘুম থেকে উঠতাম। এখন সকাল ৮টার আগে উঠি, দৌঁড়ে অফিসে যাই এবং সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা অফিস করি। আমি এখন চাকরিজীবী, সবচেয়ে বড় চাকরিজীবী।
এ সময় প্রতিমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছায় সংবর্ধিত করেন দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী কলতাপাড়া বাজারে পৌঁছালে ভাংনামারী ইউনিয়ন বিএনপির পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও জেলা আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট নূরুল হক, উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. হাবিবুল ইসলাম খান শহীদ, যুগ্ম আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আকন্দ জাহাঙ্গীর, উপজেলা বিএনপির সদস্য মাইনুল ইসলাম শাহীন, উপজেলা বিএনপির সদস্য এবং ভাংনামারী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ মন্ডল, উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম রতন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আব্দুল কাদির, ছাত্রদলের সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান মানিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
দলীয় সূত্র জানায়, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সংসদ সদস্য এবং প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর প্রথমবার ইঞ্জিনিয়ার এম. ইকবাল হোসেন এলাকায় এসেছেন। মূলত দলীয় নেতাকর্মী এবং এলাকাবাসীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্যই প্রতিমন্ত্রীর এই সফর।
উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, দিনভর উপজেলার কলতাপাড়া, রামগোপালপুর, বালুয়ামোড়, পাছার, ভুটিয়ারকোনা, শাহগঞ্জ বাজারে সংক্ষিপ্ত পথসভায় মিলিত হবেন প্রতিমন্ত্রী। এরপর বিকেল ৪টায় প্রশাসনের গার্ড অব অনার গ্রহণ শেষে উপজেলা মডেল মসজিদ উদ্বোধন করবেন। পরে সন্ধ্যায় উপজেলা প্রশাসনের ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণ করে উপজেলার তাতরাকান্দাস্থ নিজ বাড়িতে যাবেন প্রতিমন্ত্রী।
আমান উল্লাহ আকন্দ/আরএআর