গাইবান্ধায় শিক্ষিকা হত্যাকাণ্ডে দ্বিতীয় স্বামী আটক

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে হাত-পা বেঁধে স্কুলশিক্ষিকা হত্যার ঘটনায় দ্বিতীয় স্বামী মামুনুর রশিদ চৌধুরী মামুনকে (৫২) আটক করা হয়েছে। রোববার (১ মার্চ) দিবাগত রাতে তাকে আটক করে গোবিন্দগঞ্জ থানা-পুলিশ।
আটক মামুনুর রশিদ গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার কর্মচারী এবং নিহত শিক্ষিকা শামসুন্নাহার রুমার (৪৩) দ্বিতীয় স্বামী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, প্রথম স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তিনি এক পুত্রসন্তান নিয়ে বাবার মালিকানাধীন ওই বাসায় একাই বসবাস করতেন। তার ছেলে পড়াশোনার কারণে ঢাকায় থাকায় বেশিরভাগ সময় তিনি একাই থাকতেন। তবে মাঝে মধ্যে দ্বিতীয় স্বামী মামুন সেখানে এসে অবস্থান করতেন বলে জানা গেছে।
এর আগে, শনিবার বিকেলে গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের চক গোবিন্দপুর এলাকায় নিজ বাসা থেকে রুমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। উদ্ধারের সময় তার হাত-পা গামছা দিয়ে বাঁধা এবং গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মেঝেতে পড়েছিল। ঘরের আসবাবপত্রও ছিল এলোমেলো। প্রায় এক মাস আগেই একই বাসায় চুরির ঘটনা ঘটেছিল বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই রোকনুজ্জামান রুবেল বাদী হয়ে একইদিন (শনিবার) থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর শিক্ষিকার দ্বিতীয় স্বামীকে আটক করলো পুলিশ।
নিহত রুমা উপজেলার ফুলবাড়ী ইউনিয়নের বাসিন্দা ও চণ্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ছিলেন।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, মরদেহ উদ্ধারের সঙ্গে সঙ্গে ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করছে। একইসঙ্গে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। আশা করছি, খুব দ্রুতই হত্যার নেপথ্যের প্রকৃত কারণ উদঘাটনসহ দোষীদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।
এএমকে