আমিরাতে ড্রোন হামলায় নিহত সালেহকে মৌলভীবাজারে দাফন

সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইরানের ড্রোন হামলায় নিহত বাংলাদেশি মৌলভীবাজারের বড়লেখার সালেহ আহমদের এর জানাজার নামাজ সম্পন্ন হয়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) বিকেল ৫ টায় বড়লেখা উপজেলার পৌরসভার গাজিটেকা শাহী ঈদগাহ মাঠে জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এর আগে দুপুর ১২টায় সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সালেহ আহমেদের মরদেহ গ্রহণ করে বাড়িতে নিয়ে আসেন বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ও পরিবারের সদস্যরা।
বিকেল ৩টায় সালেহ আহমেদের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসার পর এক আবেগঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়। আত্মীয়-স্বজন ও বিভিন্ন এলাকার মানুষ মরদেহ দেখতে ভিড় করেন। সবাই হতাশা নিয়ে সালেহ আহমেদের মরদেহ দেখছেন।
বিকেল ৫টায় বড়লেখা উপজেলার পৌরসভার গাজিটেকা শাহী ঈদগাহ মাঠে জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে মরদেহ দেশে আনতে সক্ষম হয়েছি। নিহত সালেহ আহমেদের পরিবারকে যতটুকু সাহায্য করা প্রয়োজন, ততটুকু করা হবে। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে থেকে কিছুটা সহযোগিতা করা হয়েছে।
এর আগে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আরব আমিরাতের আজমান প্রদেশে সালেহ আহমেদ ইফতার শেষে জরুরি খাদ্য-পানীয় সরবরাহের কাজে বের হন। তার সঙ্গে আরও একজন সহকর্মী ছিলেন। তখন ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলা করছিল। হঠাৎ আকাশে আগুনের মতো উজ্জ্বল একটি বস্তু দেখা যায়। মুহূর্তেই বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে আশপাশের এলাকা। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, সালেহ আহমেদ গুরুতর আহত অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছেন। তার শরীরের বিভিন্ন অংশে মারাত্মক আঘাতের চিহ্ন ছিল। পরে সিভিল ডিফেন্স ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এসএইচএ