‘সত্যায়িত করতে গিয়ে খুব অপদস্থ আর অসম্মানের শিকার হয়েছিলাম’

উচ্চ মাধ্যমিকে অধ্যয়নরত অবস্থায় এক ভেটেরিনারি সার্জনের কাছে সার্টিফিকেটের ফটোকপি সত্যায়িত করতে গিয়ে চরম অপদস্থ হয়েছিলেন ময়মনসিংহের শাহীন আলম। এবার নিজেই তিনি সত্যায়িত করার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। শাহীন আলম ৪৪তম বিসিএসের মাধ্যমে সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের দর্শন বিভাগে প্রভাষক হিসেবে গত ১ মার্চ যোগদান করেছেন।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে শাহীন আলম শিক্ষা জীবনে সত্যায়িত করতে গিয়ে চরম অপমান ও ভোগান্তির শিকার হওয়া নিয়ে ফেসবুকে স্মৃতিচারণ করে একটি পোস্ট দেন। সেই পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো।
ইন্টারমিডিয়েটে থাকাকালে আমার উপজেলার তৎকালীন ভেটেরিনারি সার্জনের কাছে সার্টিফিকেট সত্যায়িত করতে গিয়ে খুব অপদস্থ আর অসম্মানের শিকার হয়েছিলাম। সেই অপমান এখনো ভুলতে পারিনি, হয়তো কখনোও পারবো না!
অথচ, সময়ের আবর্তে অপদস্ত হওয়া সেই আমিই আজ সত্যায়িত করার সুযোগ ও দায়িত্ব পেয়েছি। এটাকেই বলে বিধাতার লীলা। তাই কাউকে কখনো ছোট করে দেখা উচিত না। কারণ কাকে, কোথায়, কখন, কোন অবস্থানে নিয়ে যাবে একমাত্র বিধাতাই ভালো জানে।
বিজ্ঞাপন
যদিও বর্তমান ডিজিটাল যুগে সত্যায়িত নামক এই উদ্ভট নিয়মের কোনো প্রয়োজন আছে বলে আমার মনে হয় না এবং এই প্রথা রহিত করে চাকরিপ্রার্থী ও ছাত্র-ছাত্রীদের হয়রানি থেকে মুক্তি দেওয়ার জোর দাবি জানাই। তবুও, যতদিন এই নিয়ম আছে, জনগণকে সেবা দিতে সর্বদা প্রস্তুত আছি।
প্রিয় অনুজ বা পরিচিত কারও যদি সত্যায়িত করার প্রয়োজন হয়, নির্দ্বিধায় চলে আসতে পারেন আমার কাছে। সত্যায়িত করার পাশাপাশি চা খাওয়ার দাওয়াত রইলো। আর আমি যেখানেই থাকি না কেন, আপনাদের জন্য ব্যাগে সব সময় একটা সিল রাখবো, ইনশাআল্লাহ্।
এমএএস