গাইবান্ধার ভরতখালী হাট এলাকায় নিবন্ধনহীন পাম্পে অভিযান চালিয়ে ১২০০ লিটার পেট্রোল জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একইসঙ্গে অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান।
এর আগে, একইদিন দুপুরে সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী হাট এলাকার মেসার্স আবুল কালাম আজাদ ট্রেডার্স নামের প্রতিষ্ঠানে এই অভিযান চালায় সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল কবীর।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই প্রতিষ্ঠানটিতে বেশি দামে তেল বিক্রি হচ্ছিল। এদিন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইউএনও, পুলিশ ও কৃষি অফিসারের সমন্বয়য়ে অভিযানে প্রতিষ্ঠানটির মালিক আবুল কালাম আহাদের (অলক) বিরুদ্ধে জ্বালানি বিক্রিতে অনিয়ম ও পাম্পের নিবন্ধন-সংক্রান্ত ত্রুটি ধরা পড়ে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাৎক্ষণিকভাবে তাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা এবং মজুত থাকা পেট্রোল জব্দ করেন।
বিজ্ঞাপন
ইউএনও মো. আশরাফুল কবীর বলেন, জব্দ করা পেট্রোল সরকারি দামে বিক্রির জন্য থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হবে।
সাঘাটা থানার ওসি মতিউর রহমান বলেন, অভিযানের পর জব্দ করা ১২০০ লিটার পেট্রোল তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা কৃষি অফিসারের মাধ্যমে পুলিশের সহযোগিতায় বিক্রি শুরু করা হয়। বিক্রয় শেষের দিকে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত শুক্রবার অবৈধভাবে তেল বিক্রির গোবিন্দগঞ্জের খলসী এলাকার মেসার্স মৌসুমী ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আহসান হাবীব নয়নকে পাঁচ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একইদিন উপজেলার কাটামোড় এলাকার এক মনোহারী দোকানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে তেল মজুত ও খোলা বাজারে বিক্রির দায়ে দোকান মালিক হেলাল শেখকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় তার দোকান থেকে ১৬ লিটার ডিজেল উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।
বিজ্ঞাপন
এ ছাড়া, শনিবার একই উপজেলায় অবৈধভাবে তেল মজুতের দায়ে মুদি দোকানি আলম মিয়াকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং তার দোকানে থাকা ১৫০ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। অন্যদিকে মেয়াদোত্তীর্ণ লাইসেন্স ও অসদুপায়ে জ্বালানি তেল বিক্রির অপরাধে মেসার্স আশা এন্টারপ্রাইজ নামের একটি মিনি ফিলিং স্টেশনের মালিক বাদশা মিয়াকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এএমকে
