বিজ্ঞাপন

থানায় ঢুকে ওসিসহ পুলিশ সদস্যদের মারধর, জামায়াত নেতাসহ গ্রপ্তার ২

অ+
অ-
থানায় ঢুকে ওসিসহ পুলিশ সদস্যদের মারধর, জামায়াত নেতাসহ গ্রপ্তার ২

গাইবান্ধায় থানায় ঢুকে ওসিসহ পুলিশ সদস্যদের মারধরের ঘটনায় হওয়া মামলার প্রধান আসামিসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

বিজ্ঞাপন

রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ারে আলম খান। এর আগে শনিবার রাত দেড়টার দিকে উপজেলার দিঘলকান্দি গ্রাম থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ নিয়ে ওই ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলায় এ পর্যন্ত চারজনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলা জামায়াতের যুব বিভাগের বায়তুল মাল সম্পাদক পলাশ (৩৫) ও গোলজার রহমান (৩৪)। পলাশ আহম্মেদ উপজেলা সদরের উদয়সাগর গ্রামের নূর মোহাম্মদের ছেলে ও গোলজার উপজেলা সদরের বৈরীহরিনমারী গ্রামের মধু মিয়ার ছেলে। গোলজার এ মামলার ৪ নম্বর আসামি।

এর আগে গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামি হলেন, পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের পেশাজীবী বিভাগের সেক্রেটারি গৃধারীপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে মিজানুর রহমান মিজান (৩৪) ও একই গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে তৌহিদুল ইসলাম কাকন (৩৫)। এর মধ্যে কাকনকে ঘটনার দিনই ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এছাড়া আসামি মিজানুর রহমান মিজানকে গ্রেপ্তার করা হয় ২৬ মার্চ রাতে।

বিজ্ঞাপন

গত ২৫ মার্চ রাত ১০টার কিছু সময় আগে পলাশবাড়ী উপজেলা জামায়াতের যুব বিভাগের বায়তুল মাল সম্পাদক মাহমুদুল হাসান পলাশ কয়েকজন যুবককে সঙ্গে নিয়ে একটি অভিযোগ পত্রসহ পলাশবাড়ী থানায় যান এবং ওসির সঙ্গে কথাবার্তার এক পর্যায়ে তর্কবিতর্কের সৃষ্টি হয়। 

পরে পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় জামায়াত নেতা পলাশ থানার ওসিকে তাৎক্ষণিকভাবে অমীমাংসিত একটি খোলা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করতে বলেন এবং চাপ প্রয়োগ করেন। শেষ পর্যন্ত ওসি রাজি না হলে ওই নেতাসহ তার সঙ্গে থাকা যুবকেরা ওসির ওপর চড়াও হন। এক পর্যায়ে ওসিকে আক্রমণসহ মারধর করেন। এসময় উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা বাধা দিতে গেলে তাদেরকেও মারধর করা হয়, এতে এক নারী কনস্টেবলসহ পুলিশের ৯ সদস্য আহত হয়। 

এ ঘটনায় পলাশবাড়ী থানার আহত এএসআই রুহুল আমিন বাদী হয়ে ২৬ মার্চ (পরদিন) নামীয় ৯ জন ও ১২ থেকে ১৩ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন।

বিজ্ঞাপন

মামলার পলাতক আসামিরা হলেন, গিরিধারীপুর গ্রামের মৃত জায়দাল হকের ছেলে মাহফুজ রহমান সিনহা (২৮), দুলা ফকিরের ছেলে সাদ্দাম হোসেন (৩০),  শাওন (৩৫),  পূর্ব গোপিনাথপুর গ্রামের বাকী মিয়ার ছেলে সবুজ মিয়া (৩২) ও জামালপুর গ্রামের মৃত তোফাজ্জল মিয়ার ছেলেদ আব্দুল মালেক (৩৭)।

পলাশবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ারে আলম খান বলেন, গতরাত দেড়টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের ওপর হামলার দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। এখন পর্যন্ত এ মামলার চারজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলো, অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে ।

আরকে