আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্রিয়া খান জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। একইসঙ্গে অভিযুক্ত তার মা হাফসা আক্তার ও ভাই স্বাধীন মিয়ারও জামিন পেয়েছেন। রোববার (৫ এপ্রিল) বিকেলে নেত্রকোণা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের বিচারক মো. শাহ্ পরান তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
বিজ্ঞাপন
এর আগে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দিবাগত রাতে আশুলিয়া থেকে প্রিয়া খান (১৮) ও তার মা হাফসা আখতার (৪০) এবং ভাই স্বাধীন মিয়াকে (২০) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার বাদী তমা আক্তার (২৯) আটপারা উপজেলার বানিয়াজান গ্রামের মো. হারেস মিয়ার মেয়ে।
মামলার প্রাথমিক তথ্য বিবরণী থেকে জানা যায়, দণ্ডবিধির ১৮৬০ আইনে নেত্রকোণা জেলার আটপাড়া থানায় দায়ের করা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তরা অনধিকারভাবে বাদীর বসতঘরে প্রবেশ করে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে যখম করে এবং বাড়িতে ভাঙচুর, ক্ষতিসাধন ও ভয় ভীতি প্রদর্শন করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আশুলিয়া এলাকা থেকে তাদের তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। পরবর্তীতে রোববার (৫ এপ্রিল) তাদের জেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রেরণ করা হয়। অভিযোগ আমলে নিয়ে শুনানি শেষে বিজ্ঞ বিচারক জামিন যোগ্য ধারা ও নারী হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
বিজ্ঞাপন
অভিযোগের বিষয়ে তমা আক্তার ঢাকা পোস্টকে তিনি বলেন, তারা আমাদের বাড়িতে হামলা করেছে। আমাদের জিনিসপত্র লুটপাট করেছে, ভাঙচুর করেছে। তাই আমরা আইনের দ্বারস্থ হয়েছি। আপনারা খোঁজ নিয়ে দেখুন- তারা কেমন প্রকৃতির মানুষ। আমরা গরিব মানুষ দিন আনি দিন খাই। তাদের সাথে আমাদের কোনো ঝামেলা নেই। কিন্তু প্রিয়া আমার স্বামীর কাছে বারবার টাকা চায়। এগুলো নিয়ে তাদের সাথে বাগবিতণ্ডা হলে তারা আমাদের বাড়িতে হামলা করে। আমি এর বেশি আর কিছু বলতে চাই না। আপনারা খোঁজ-খবর নিয়ে দেখুন- আমরা অপরাধী নাকি তারা অপরাধী।
এ বিষয়ে আটপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুবায়দুল আলম জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত কার্যক্রম শুরু করি। আশুলিয়া থেকে আসামিদের পুলিশ গ্রেপ্তার করে। আসামি থানায় নিয়ে আসার পর আদালতে প্রেরণ করা হয়। বিজ্ঞ আদালত শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেছেন। মামলার নিয়মিত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
চয়ন দেবনাথ মুন্না/এসএইচএ
