বিজ্ঞাপন

প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান

সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন নয়, ঐক্য জরুরি

অ+
অ-
সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন নয়, ঐক্য জরুরি

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম বলেছেন, সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন নয়, ঐক্য জরুরি। বিভাজিত জাতি সামনে এগিয়ে যেতে পারে না। এ জন্য ঐক্যের বিকল্প আমাদের সামনে নেই।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে রাজবাড়ী সার্কিট হাউসের কনফারেন্স রুমে জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে ‘গণমাধ্যমের অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধ এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন’ শীর্ষক সেমিনার ও কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বলেন, সাংবাদিকতা এমন একটি পেশা যেখানে দায়িত্ববোধ, নৈতিকতা ও সত্যনিষ্ঠা অপরিহার্য। ভুল বা যাচাই-বাছাই ছাড়া সংবাদ প্রকাশ সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। তাই সাংবাদিকদের উচিত, তথ্য যাচাই করে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করা।

তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের একটি শক্তিশালী স্তম্ভ। সাংবাদিকরা যদি দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখেন, তাহলে জাতি উপকৃত হবে। প্রেস কাউন্সিল সবসময় সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করছে।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের আয়োজনে ও জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় কর্মশালায় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজা পারভীনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা তথ্য অফিসার রেখা ইসলাম।

প্রশিক্ষণ পর্বের ১ম সেশনে ‘বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারে প্রেস কাউন্সিল প্রণীত আচরণবিধি প্রতিপালনের গুরুত্ব’ সম্পর্কে আলোচনা করেন প্রেস কাউন্সিলের সচিব (উপসচিব) মো. আব্দুস সবুর।

কর্মশালার দ্বিতীয় সেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে ‘গণমাধ্যমকর্মীদের আইনগত অধিকার ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চায় গণমাধ্যমকর্মীদের করণীয়’ সম্পর্কে আলোচনা করবেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম।

বিজ্ঞাপন

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা। গণতন্ত্রের ধারা রক্ষায় সাংবাদিকতার কোনো বিকল্প নেই। সংবাদমাধ্যম ও সংবাদপত্র হচ্ছে সমাজের আয়না। 

প্রেস কাউন্সিলের সুপারিন্টেন্ডেন্ট মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেনের সঞ্চালনায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো.তারিফ-উল-হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মো. শামসুল হকসহ বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের কর্মকর্তা ও কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন গণমাধ্যমের ৭০ জন সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় সাংবাদিকদের জন্য অনুসরণীয় আচরণবিধি-১৯৯৩(২০০২ সালে সংশোধিত), প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ দায়ের করার নিয়মাবলি, ছাপাখানায় ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধনকরণ) আইন ১৯৭৩, সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতা,তথ্য অধিকার আইন-২০০৯, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট আইন-২০১৪ এবং সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫ সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেওয়া হয়।

কর্মশালা শেষে অতিথিবৃন্দ অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের মধ্যে সনদপত্র বিতরণ করেন।

মীর সামসুজ্জামান সৌরভ/আরএআর

বিজ্ঞাপন