শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, এখন ঘরে বসে পুরো পৃথিবী দেখা গেলে পরীক্ষা কেন্দ্রও দেখা সম্ভব। এ জন্য শ্রেণিকক্ষ ও পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা থাকবে।
বিজ্ঞাপন
শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড ও কারিগারি শিক্ষা বোর্ডের রাজশাহী অঞ্চলের কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ডা. কাইছার রহমান চৌধুরী মিলনায়তনে রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এই সভার আয়োজন করে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস বা অন্য কিছু, এগুলোর জন্য তো আমাদের ব্যবস্থা নিতে হবে। এবার বেশি কিছু করার দরকার নেই। সিম্পলি আমরা ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার কথা বলেছি। এটা কিন্তু শুধু পরীক্ষার জন্য না। এই ব্যাপারে ভুল বোঝা যাবে না। আজকে পলিটেকনিকে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করল, ঠিকমতো ক্লাস হয় না। আবার শিক্ষকরা অভিযোগ করলেন, ছাত্ররা ঠিকমতো ক্লাসে আসে না। ওকে ফাইন। ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা লাগাবেন। রেকর্ডিং থাকবে হাতে। আমি ক্লাসগুলো দেখব শিক্ষকরা কি করেন, ছাত্ররা কি করে। কারণ আমাদের তো মনিটরিং করতেই হবে। কোনো বিকল্প নেই।
মন্ত্রী বলেন, এই জন্য আমরা বলেছি প্রতিটি ক্লাসরুমে ক্যামেরা পদ্ধতি থাকতে হবে। তাহলে আমরা ঢাকায় বসে বা রাজশাহী বসে বোর্ড ক্লাসগুলো দেখতে পারব- ক্লাসরুমে ক্লাস হচ্ছে কিনা। এখন এই কথা শুনে অনেকে বলছে, ছাত্র-ছাত্রীদের ঘাড় ঘোরাতে দেওয়া যাবে না। কেন? রিল্যাক্স। ঘাড় ঘোরাতে পারবে না এটা তো কোনো কথা না। আমরা বলেছি, ক্লাসরুমে উপস্থিতি থাকে কিনা। শিক্ষক ঠিকমতো আসেন কিনা, ছাত্র ঠিকমতো মনোযোগ দেয় কিনা-এগুলোকে আমরা বিবেচনায় আনব। সেই সঙ্গে পরীক্ষার হলে সিসি ক্যামেরা থাকবে।
বিজ্ঞাপন
মন্ত্রী বলেন, এবার প্রধানমন্ত্রী বলেছেন বাজেটে শিক্ষাখাতে পাঁচ পার্সেন্ট দেবেন। হিউজ অ্যামাউন্ট কিন্তু পাঁচ পার্সেন্ট। এই গত বাজেটেই দেখলাম টাকা ফেরত যাচ্ছে। কাজে লাগাতে পারছে না। আমি এসে পাঁচ পার্সেন্ট, প্রায় ডাবল হয়ে যাবে বাজেট- এই টাকা কি খরচ করতে পারব? পারব না। তাই আমরা পর্যায়ক্রমে শিক্ষাখাতের বাজেট বৃদ্ধি করতে চাই।
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আ ন ম মোফাখখারুল ইসলামের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের এমপি শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ, জেলা পরিষদের প্রশাসক এরশাদ আলী ঈশা প্রমুখ।
শাহিনুল আশিক/এসএইচএ
