বিজ্ঞাপন

সেই শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন

সেই শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন

নীলফামারীর সৈয়দপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন ও অন্যান্য খাতে সরকারি বরাদ্দ দেওয়ার নামে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মরিয়ম নেছার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ঢাকা পোস্টকে সংবাদ প্রকাশের পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।  

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এরআগে গতকাল ঢাকা পোস্টে ‘ঘুষ না দিলে হয়রানি, বরাদ্দ আটকে দেওয়ার অভিযোগ শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

আদেশে বলা হয়, সৈয়দপুর উপজেলার সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মরিয়ম নেছার বিরুদ্ধে শিশু মঙ্গল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহানাজ আখতার লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে একটি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সেই তদন্ত কমিটিকে আগামী ১০ কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য বলা হয়েছে।

তদন্ত কমিটিতে ডিমলা উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বীরেন্দ নাথ রায়কে আহ্বায়ক করে ডোমার উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আফজালুল হক ও নীলফামারী সদর উপজেলার সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কৃষ্ণা কাবেরী বিশ্বাসকে সদস্য করা হয়েছে। 

জানা যায়, প্রায় ৪ বছর ধরে মরিয়ম নেছা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে সৈয়দপুর উপজেলায় কর্মরত রয়েছেন। বিভিন্ন বিদ্যালয়ে সরকারি বিভিন্ন বরাদ্দ দিতে শিক্ষকদের থেকে ঘুষ নেন তিনি। এছাড়াও কোনো শিক্ষক তাকে ঘুষ না দিলে বিভিন্নভাবে হয়রানি করেন। তার ঘুষ বাণিজ্যের বিরুদ্ধে কথা বললেও বিপাকে পড়তে হয় শিক্ষকদের।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, বরাদ্দের তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করা কিংবা দ্রুত বরাদ্দ নিশ্চিত করার কথা বলে বিভিন্ন সময়ে অর্থ নেওয়া হয়েছে। কেউ অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের প্রতিষ্ঠানের বরাদ্দ আটকে রাখা বা বিভিন্ন অজুহাতে বাদ দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। এসবের প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এক শিক্ষক। 

এবিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. রবিউল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, এ বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে, তদন্ত প্রতিদবেন পাওয়ার পর সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শাহজাহান ইসলাম লেলিন/এসএইচএ