বিজ্ঞাপন

গাইবান্ধায় পিআইওর দপ্তরে প্রকল্পের অর্থ লুটপাটের অভিযোগে তদন্ত কমিটি

গাইবান্ধায় পিআইওর দপ্তরে প্রকল্পের অর্থ লুটপাটের অভিযোগে তদন্ত কমিটি

গাইবান্ধা সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয়ের টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের অর্থ লুটপাটের অভিযোগ তদন্তে কমিটি করেছে প্রশাসন। মঙ্গলবার (১ আগস্ট) সকালে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সবুজ কুমার বসাক তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন।

গতকাল রাতে উপজেলার স্থানীয় সরকার বিভাগ (এলজিইডি) ইঞ্জিয়ার বাবলু মিয়াকে প্রধান করে তিন সদস্যের এই কমিটি গঠন করেন ইউএনও। এর আগে গত ২৫ আগস্ট ‘সরকারি প্রকল্পের অর্থ লুট, রক্ষা পায়নি মসজিদ-মন্দির ও কবরস্থানের বরাদ্দও’ শিরোনামে ঢাকা পোস্টে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

তদন্ত কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (ক্ষুদ্র সেচ, সদর) সহকারী প্রকৌশলী গোলাম রব্বানী ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর গাইবান্ধা সদরের উপসহকারী প্রকৌশলী আজমির হোসেন।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্বাক্ষরিত তদন্ত কমিটি সংক্রান্ত ওই পত্রে ঢাকা পোস্টের ২৫ আগস্ট তারিখের প্রকাশিত সংবাদ সূত্রে বলা হয়, টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পে গাইবান্ধা সদর উপজেলায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে ব্যাপক অর্থ লুটপাটের বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে গাইবান্ধা সদর উপজেলার উল্লেখিত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হলো। কমিটিকে গাইবান্ধা সদর উপজেলার ২০২৩-২৪, ২০২৪-২৫ ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের আওতায় গৃহীত প্রকল্পসমূহ সরেজমিন তদন্তপূর্বক পূর্ণাঙ্গ ও সুস্পষ্ট প্রতিবেদন নিম্নস্বাক্ষরকারীর কার্যালয়ে প্রেরণের জন্য বলা হলো। 

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সবুজ কুমার বসাক ঢাকা পোস্টকে বলেন, পিআইও অফিসের অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের ঘটনায় তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে  সরেজমিনে তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলা হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাসুম বিল্লাহ/আরএআর

বিজ্ঞাপন