এমপি চুমকির এপিএসের সম্পদ অনুসন্ধানে দুদকের চিঠি

Dhaka Post Desk

জেলা প্রতিনিধি, গাজীপুর

০৫ অক্টোবর ২০২১, ১০:০৩ পিএম


এমপি চুমকির এপিএসের সম্পদ অনুসন্ধানে দুদকের চিঠি

গাজীপুর-৫ আসনের (কালীগঞ্জ) সংসদ সদস্য ও সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) মাজেদুল ইসলাম ওরফে সেলিমের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

এসব দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধান করতে সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কার্যালয় থেকে জেলা রেজিস্ট্রারের কাছে কালীগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের ১০টি দলিলের জাবেদা ও সার্টিফায়েড কপি চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

দুদকের উপপরিচালক এস এম রাশেদুর রেজা স্বাক্ষরিত এক চিঠি থেকে এমন তথ্য জানা যায়।

মাজেদুল ইসলাম গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার দেওপাড়া গ্রামের মৃত মোসলেহ উদ্দিনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মেহের আফরোজ চুমকির এপিএসের দায়িত্ব পালন করছেন।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার দেওপাড়া এলাকার মোসলেহ উদ্দিন সেলিমের (বর্তমান ঠিকানা ঢাকার ৬১ সিদ্ধেশ্বরী লেন, ফ্ল্যাট নং-২) বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের জন্য সেলিম, তার স্ত্রী রাহিমা বেগম, ভাই কামরুল ইসলাম, শহীদুল ইসলাম, মামুনুল ইসলামসহ তার পরিবারের ৭ জনের কালীগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের ১০টি দলিলের জাবেদা ও সার্টিফায়েড কপি ৭ কার্যদিবসের মধ্যে সরবরাহের জন্য সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রারকে নির্দেশ দিতে জেলা রেজিস্ট্রারকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে মাজেদুল ইসলাম বলেন, দুদক থেকে এখনো আমাকে কোনো কিছু জানায়নি। তবে আমি অন্য একটি মাধ্যমে জানতে পেরেছি আমার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির খোঁজ নিচ্ছে দুদক।

তিনি বলেন, আমার কোনো অবৈধ অর্থ-জমি নেই। এলাকায় আমার রাজনৈতিক কিংবা পারিবারিক প্রতিপক্ষ থাকতে পারে। তাদের কেউ শত্রুতাবশত বেনামে আমার বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ দিয়েছে, আমি নাকি হাজার হাজার কোটি টাকা ও শত শত বিঘা জমির মালিক। তারই পরিপ্রেক্ষিত্রে দুদক সম্পদের হিসাব চেয়ে থাকতে পারে।

আমার পৈতৃক বাড়ি কালীগঞ্জে। এখানে আমাদের জমি রয়েছে। কোনো অবৈধ অর্থ-জমি নেই আমার। আমাকে বিতর্কিত করতে পারলেই আপাকে (মেহের আফরোজ চুমকি) বিতর্কিত করা যেতে পারে। আমি চাই এটা আইনগতভাবেই সমাধান হোক।

কালীগঞ্জ উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার শাহিন রেজা বলেন, দুদকের চিঠি পাওয়ার পর কালীগঞ্জ ও গাজীপুরে তল্লাশি চালিয়ে ২০১৪ সাল পর্যন্ত উল্লেখিতদের নামে ২০টির মতো দলিল পাওয়া গেছে। সবগুলোর কপি এ সপ্তাহের প্রথম দিকে দুদক কার্যালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে সংসদ সদস্য মেহের আফরোজ চুমকিকে একাধিকবার মোবাইল ফোনে কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

শিহাব খান/এনএ

Link copied