বিজ্ঞাপন

দাম বাড়ছে মোবাইল হ্যান্ডসেটের

অ+
অ-
দাম বাড়ছে মোবাইল হ্যান্ডসেটের

২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মোবাইলের হ্যান্ডসেট বিক্রির ওপর বিদ্যমান ৫ শতাংশ ভ্যাট অব্যাহতি প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থাৎ এতদিন এক্ষেত্রে ৫% ভ্যাট মওকুফ ছিল, এখন তা দিতে হবে। এর ফলে গ্রাহকের জন্য মোবাইল হ্যান্ডসেটের দাম বাড়বে।

বিজ্ঞাপন

বৃহস্পতিবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এ কথা জানান।

অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় বলেন, মোবাইল টেলিফোন সেট ব্যবসায়ী পর্যায়ে বিদ্যমান ৫ শতাংশ মূসক অব্যাহতি প্রত্যাহারের প্রস্তাব করছি।

বর্তমানে, স্মার্টফোন আমদানিতে প্রায় ৫৮ শতাংশ কর দিতে হয়। স্থানীয়ভাবে অ্যাসেম্বল ও তৈরি হ্যান্ডসেটের ওপর কর দিতে হয় ৩ থেকে ২৭ শতাংশ পর্যন্ত।

বিজ্ঞাপন

২০২০-২১ সালে স্থানীয়ভাবে তৈরি এবং আমদানি করা হ্যান্ডসেটের মোট সংখ্যা ছিল ৪ কোটি ১২ লাখ।

‘কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তন’ স্লোগান নিয়ে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ছয় লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করা হয়েছে জাতীয় সংসদে। নতুন এ বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। এতে মূল্যস্ফীতি ধরা হচ্ছে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ।

এবারের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের তুলনায় ৭৪ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকা বেশি। আর সংশোধিত বাজেটের তুলনায় ৮৪ হাজার ৫৬৪ কোটি টাকা বেশি। আগামী অর্থবছরের বাজেটে বড় ব্যয়ের বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের আয়ের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা হতে যাচ্ছে চার লাখ ৩৬ হাজার ২৭১ কোটি টাকা। যেখানে বাজেটে অনুদান ছাড়া ঘাটতির আকার ধরা হয়েছে দুই লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। অনুদানসহ ঘাটতি থাকবে দুই লাখ ৪১ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা।

বিজ্ঞাপন

২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে আয়ের সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে চার লাখ ৩৬ হাজার ২৭১ কোটি টাকা। যা চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের তুলনায় ৪৪ হাজার ৭৯ কোটি টাকা বেশি।

প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারের আয়ের খাতগুলো থেকে কর বাবদ তিন লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা আয় করার পরিকল্পনা করছে সরকার। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মাধ্যমে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে তিন লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা।

নতুন অর্থবছরে এনবিআরকে ৪০ হাজার কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা দিচ্ছে সরকার। এনবিআর বহির্ভূত কর থেকে আয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ হাজার কোটি টাকা। কর ছাড়া আয় ধরা হয়েছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা। বৈদেশিক অনুদান থেকে আয় ধরা হয়েছে তিন হাজার ২৭১ কোটি টাকা।

এমএসি/জেডএস

বিজ্ঞাপন