• সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • সারাদেশ
    জেলার খবর
  • খেলা
  • বিনোদন
  • জবস

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

  1. অর্থনীতি

নাগালের বাইরে লেবু-শসার দাম, রোজা ঘিরে বেড়েছে ৪০-৬০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মার্চ ২০২৫, ১১:১৮
অ+
অ-
নাগালের বাইরে লেবু-শসার দাম, রোজা ঘিরে বেড়েছে ৪০-৬০ টাকা

সারাদিন সিয়াম সাধনার পর ইফতারে এক গ্লাস ঠান্ডা লেবুর শরবতে তৃষ্ণা মেটায় ধর্মপ্রাণ মানুষজন। একইসঙ্গে পরবর্তী অন্যান্য খাবারের সঙ্গে পানি সমৃদ্ধ সবজি শসার জুড়ি নেই। তাই সারাবছর যেমনই চাহিদা থাকুক না কেন, রমজান মাসজুড়ে লেবু, শসা ও খিরার চাহিদা ভোক্তা পর্যায়ে কয়েকগুণ বাড়ে। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্যবসায়ীরা এই তিনটি পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন। প্রতিবারের মতো এবারও একই অবস্থা হয়েছে। রোজার ঠিক আগ মুহূর্তেই লেবু, শসা ও খিরার দাম বেড়েছে ৪০-৬০ টাকা পর্যন্ত। তবে বাজারগুলোতে এসব পণ্যের কোনো ঘাটতি নেই।

বিজ্ঞাপন

রোববার (২ মার্চ) সকালে রাজধানীর উত্তরার আজমপুর কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, দোকানগুলোতে শোভা পাচ্ছে বিভিন্ন জাত ও আকারের লেবু, শসা ও খিরা। এর মধ্যে কলম্বিয়া জাতের লেবু ছোট-মাঝারি-বড়, কাগজি লেবু ছোট, এলাচি লেবু মাঝারি ও বড় এবং দেশীয় বিভিন্ন জাতের ছোট ও মাঝারি লেবু দেখা গেছে। আর শসা ও খিরার ক্ষেত্রে দেশি ও হাইব্রিড দুই ধরনের জাতই দেখা গেছে।

বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, লেবুর হালি (৪টি) সর্বনিম্ন দাম শুরু হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায় (ছোট আকৃতির লেবু)। এরপর মাঝারি ধরনের লেবুর হালির দাম চাওয়া হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা। আর বড় আকৃতির লম্বা লেবুর হালির দাম ৯০-১১০ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে। এছাড়া গোল আকৃতির বড় লেবুগুলো হালির দাম ১০০-১৩০ টাকা পর্যন্ত হাঁকা হচ্ছে।

আর দেশি শসার আকৃতি ও মানভেদে ৭০-৮০ টাকা, হাইব্রিড শসা ৬০-৮০ টাকা এবং খিরা ৬০-৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি করা হচ্ছে।

বিজ্ঞাপন

dhakapost

অথচ গত সপ্তাহেও বড় লেবু সর্বোচ্চ ৪০-৬০ টাকায় ক্রেতারা খুচরা বাজার থেকে কিনতে পেরেছেন। একইসঙ্গে কেজিপ্রতি শসা ও ক্ষিরাও মিলেছে মাত্র ৩০-৬০ টাকায়।

আরও পড়ুন

রোজার প্রথমদিনেই বেগুনের সেঞ্চুরি
এখনও বাজারে মিলছে না বোতলজাত সয়াবিন তেল, সংকটে শুরু হচ্ছে রোজা
রমজানের আগে পণ্যের দাম স্থিতিশীল, সংকট ভোজ্য তেলের

বিক্রেতারা বলছেন, রোজা এবং গরমে লেবুর চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়। মূলত, ইফতারে শরবত তৈরির জন্যই মানুষজন বেশি করে লেবু কিনেন। সেজন্য চাহিদা বেশি থাকে। তবে লেবুর ভরা মৌসুম না হওয়ার কারণে এবার চাহিদা অনুযায়ী বাজারে লেবু নেই। আবার পাহাড়ি লেবুগুলো এখনও বাজারে আসেনি। যার কারণে দাম চড়া।

বিজ্ঞাপন

dhakapost

সাদ্দাম হোসেন নামের এক বিক্রেতা বলেন, কারওয়ান বাজারে আজকের লেবুর চাহিদা এতই বেশি ছিল যে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থেকেও আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণে লেবু নিতে পারিনি। ভোরে অনেকক্ষণ চেষ্টা করে কয়েক জাতের লেবু নিয়েছি। পাইকারি কিনতে যখন দাম বেশি পড়বে, তখন খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়বে, এটাই স্বাভাবিক। আমার দোকানে এলাচি লেবু ছোট ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যেই বিক্রি হচ্ছে। আর দেশি শসা ৭০ এবং ক্ষিরা ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি।

আমিনুল ইসলাম নামের আরেক বিক্রেতা বলেন, গত সপ্তাহেই আমরা ২০ থেকে ৩০ এবং সর্বোচ্চ ৪০ টাকা হালি লেবু বিক্রি করেছি। কিন্তু গত শুক্রবার থেকেই বাজারে লেবুর বাড়তি দাম শুরু হয়েছে। একলাফে দাম বেড়েছে ৪০-৬০ টাকা। আর বাকি সব সবজির দাম আগের মতোই আছে। রোজা এবং ঈদ শেষ হওয়ার আগে হয়তো শসা ও ক্ষিরার দাম কমলেও লেবুর দাম কমার সম্ভাবনা নেই।

dhakapost

এমন অবস্থায় ক্রেতারা বেশ বিপাকেই পড়েছেন। তারা বলছেন, সরবরাহ ঠিক রাখতে সরকার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। আর বাজার মনিটরিংও জোরদার করা হয়নি, যার সুযোগ নিচ্ছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা।

মাহমুদুল হাসান নামে এক ক্রেতা বলেন, এক হালি লেবু কিনতে ৮০ টাকা লাগলো। হঠাৎ করেই এমন কী হয়ে গেল যে ৪০ টাকার লেবু ৮০ টাকা হয়ে গেল। আর শসার দামও আগের চেয়ে বেড়েছে। এসব বিষয়ে সরকারের নজর দেওয়া উচিত। কারণ, বাজার সিন্ডিকেট ভেঙে একটি সুন্দর ব্যবস্থাপনা তৈরি হবে, এটি এই সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশা ছিল। লেবু-শসার দাম বাড়াতে অসাধু ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম সংকট কাজ করছে কি না, সেটি খতিয়ে দেখা দরকার।

আছিয়া খাতুন নামের আরেক ক্রেতা বলেন, রোজার মাসজুড়ে সবাই ইফতারে শরবতের জন্য লেবু এবং সালাদ হিসেবে শসাকেই প্রাধান্য দেয়। কিন্তু দেখা যায়, প্রতি বছরই ঠিক রোজা আগমুহূর্তে এসব পণ্যের দাম বেড়ে যায়। অথচ উচিত ছিল রোজা উপলক্ষে দাম কমানো। তাছাড়া মানুষজন এখন দাম বাড়ার কারণে যতটুকু না কিনলেই নয়, ঠিক ততটুকুই কেনাকাটা করছেন। তবে সরকারের উচিত বাজার মনিটরিং আরও জোরদার করা।

dhakapost

দাম বেড়েছে কাঁচামরিচ, টমেটোসহ অন্যান্য সবজিরও

রোজা ঘিরে বাড়তি দামের হাওয়া লেগেছে কাঁচামরিচ ও টমেটোসহ অন্যান্য সবজির দামেও। কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচামরিচ জাত ভেদে ৭০-৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যার দাম গত সপ্তাহে ছিল ৬০ টাকা। আর টমেটোর দামও ২৫ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকায়। এছাড়া শিম ৬০ টাকা, লাউ ৪০-৬০ টাকা, লম্বা বেগুন ৮০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, গাজর ৩০ টাকা কেজি দামে বিক্রি হচ্ছে।

আরএইচটি/এসএম

অনলাইনে পড়তে স্ক্যান করুন

বাজার দররমজান

ফলো করুন

MessengerWhatsAppGoogle News

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

আপনার জন্য কি ফিতরা দেওয়া ওয়াজিব? জেনে নিন নিয়ম

আপনার জন্য কি ফিতরা দেওয়া ওয়াজিব? জেনে নিন নিয়ম

আমিরাতে জনপ্রতি ফিতরা ২৫ দিরহাম

আমিরাতে জনপ্রতি ফিতরা ২৫ দিরহাম

ইতিকাফের সময় নখ কাটা যাবে?

ইতিকাফের সময় নখ কাটা যাবে?

ইউসিবি ইসলামিকের উদ্যোগে কুরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

ইউসিবি ইসলামিকের উদ্যোগে কুরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত