যৌথভাবে ৪ বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ পেয়েছে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল

বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল পিএলসি যৌথভাবে প্যারামাউন্ট হোল্ডিংসের সঙ্গে ২৯৫ মেগাওয়াটের চারটি সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের কাজ পেয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) কাছ থেকে এ সংক্রান্ত নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড (এনওএ) বা কার্যাদেশ পেয়েছে কোম্পানিটি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, কার্যাদেশ পাওয়ার ২৮ দিনের মধ্যে বিপিডিবির সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি (পিপিসি) স্বাক্ষর হবে। আর চুক্তি স্বাক্ষরের পর দুই বছরের মধ্যে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করতে হবে। চারটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে আনুমানিক ব্যয় হবে ২৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার এবং এ কেন্দ্রগুলো থেকে বছরে ৫১৩ কোটি ৯৮ লাখ ২০ হাজার টাকা আয় হবে। বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের ক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ ব্যাংক ঋণ ও ৩০ শতাংশ ইকুইটির মাধ্যমে অর্থায়ন করা হবে।
চার বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে দুটি পাবনায় ও দুটি মৌলভীবাজারে নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে পাবনা সদর উপজেলার ভবানীপুরে ৭০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের মালিকানা ৮০ শতাংশ ও প্যারামাউন্ট হোল্ডিংসের মালিকানা ২০ শতাংশ। এ কেন্দ্রের প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুতের দাম ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ৯০ সেন্ট। পাবনা সদর উপজেলার রতনপুরের ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের মালিকানা ৬০ শতাংশ ও প্যারামাউন্ট হোল্ডিংসের মালিকানা ৪০ শতাংশ। এ কেন্দ্রের প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুতের দাম ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ৮৯ সেন্ট।
মৌলভীবাজারের আথানগিরিতে নির্মাণ করা হবে ২৫ ও ৫০ মেগাওয়াটের দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র। এর মধ্যে ২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্যারামাউন্ট হোল্ডিংসের মালিকানা ৬০ শতাংশ ও প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের মালিকানা ৪০ শতাংশ। এ কেন্দ্রের প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুতের দাম ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ৬৬ সেন্ট। ৫০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্যারামাউন্ট হোল্ডিংসের মালিকানা ৬০ শতাংশ ও প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের মালিকানা ৪০ শতাংশ। এ কেন্দ্রের প্রতি কিলোওয়াট বিদ্যুতের দাম ধরা হয়েছে ৮ দশমিক ১৩ সেন্ট। চার বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ বছর। সব মিলিয়ে ২৯৫ মেগাওয়াটের মধ্যে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের মালিকানায় থাকবে ১৭৬ মেগাওয়াট।
ডিএসইতে রোববার প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের শেয়ার সর্বশেষ ৫০ টাকা ৯০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। গত এক বছরে শেয়ারটির দর ৩৭ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ৬১ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে।
এমএমএইচ/জেডএস