প্রিমিয়ার সিমেন্টের একীভূতকরণ সিদ্ধান্তে হাইকোর্টের চূড়ান্ত অনুমোদন

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রিমিয়ার সিমেন্ট মিলস পিএলসির দুই সহযোগী প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল সিমেন্ট মিলস লিমিটেড ও অঙ্গপ্রতিষ্ঠান প্রিমিয়ার পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এরইমধ্যে এ একীভূতকরণ স্কিমে উচ্চ আদালতের চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে কোম্পানিটি।
সম্প্রতি হাইকোর্টের এক আদেশে বিষয়টি চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে বলে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই) জানিয়েছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ডিএসই সূত্রে বিষয়টি জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের ২২৮ ও ২২৯ ধারার আওতায় দায়ের করা মামলায় গত ২৬ জানুয়ারি দেওয়া চূড়ান্ত রায় ও আদেশের মাধ্যমে উচ্চ আদালত এ স্কিম অনুমোদন করে। গত ২৮ জানুয়ারি রায় ও আদেশের অনুলিপি হাতে পায় প্রিমিয়ার সিমেন্ট। এর আগে উচ্চ আদালতের নির্দেশে বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নেয় কোম্পানিটি। আদালতের রায় ও আদেশে উল্লিখিত শর্ত ও নির্দেশনা যথাযথভাবে পূরণ হলে একীভূতকরণ স্কিম কার্যকর হবে।
সর্বশেষ অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) প্রিমিয়ার সিমেন্টের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৬৩ টাকা ৭০ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে প্রিমিয়ার সিমেন্টের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ২৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ টাকা ৪ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৬৪ টাকা ৫০ পয়সায়।
২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রিমিয়ার সিমেন্টের অনুমোদিত মূলধন ৫০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১০৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫৩০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ারসংখ্যা ১০ কোটি ৫৪ লাখ ৫০ হাজার। এর ৪২ দশমিক ৩৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৬ দশমিক ৭০, বিদেশি বিনিয়োগকারী দশমিক শূন্য ১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩০ দশমিক ৯৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
এমএমএইচ/জেডএস