ডিএসএফএম সিকিউরিটিজকে সতর্ক করলো বিএসইসি

সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের দায়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সদস্য প্রতিষ্ঠান ডিএসএফএম সিকিউরিটিজ লিমিটেডকে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। কমিশন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
জানা গেছে, সম্প্রতি বিএসইসির প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে ব্রোকারেজ হাউজটি গ্রাহকদের অর্থের নিরাপত্তাসংক্রান্ত বিধিমালা ভঙ্গ করেছে। তবে পরবর্তীতে ব্রোকারেজ হাউজটি উক্ত ঘাটতি পূরণ বা সমন্বয় করে নেওয়ায় কমিশন বিষয়টিকে বড় শাস্তির বদলে সতর্কীকরণের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিএসইসির মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগ সম্প্রতি চিঠির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করেছে।
বিএসইসির সূত্র জানিয়েছে, ডিএসই গত ২০ নভেম্বর একটি পরিদর্শন প্রতিবেদন জমা দেয়, যেখানে দেখা যায় ২০২৫ সালের ৭ অক্টোবর ডিএসএফএম সিকিউরিটিজের সমন্বিত গ্রাহক হিসাবে (সিসিএ) ১ লাখ ৫ হাজার ৬৫৬ টাকা ৬৮ পয়সা ঘাটতি ছিল। সিসিএতে অর্থ কম থাকা সত্ত্বেও লেনদেন চালু রেখে প্রতিষ্ঠানটি সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ রুলস এবং আচরণ বিধিমালা-২০০০ সরাসরি লঙ্ঘন করেছে। গ্রাহকদের আমানত বা ক্যাশ ব্যালেন্স ঝুঁকিতে ফেলায় প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালককে পাঠানো চিঠিতে এই আনুগত্যের কঠোর সমালোচনা করা হয়।
তবে পরিদর্শন প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, ঘাটতিটি স্থায়ী ছিল না এবং গত ১৮ নভেম্বর নাগাদ প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের প্রদেয় হিসাবে ১১ লাখ ৭৭ হাজার ৩৭৪ টাকা ৮৩ পয়সা উদ্বৃত্ত বা সারপ্লাস দেখাতে সক্ষম হয়েছে। এই দ্রুত সমন্বয় ও স্বচ্ছতা ফেরানোর বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কমিশন কোনো জরিমানা না করে ভবিষ্যতে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে।
ব্রোকারেজ হাউজটির কাছে পাঠানো কমিশনের চিঠিতে বলা হয়, ভবিষ্যতে সব ধরনের সিকিউরিটিজ আইন ও প্রবিধান কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই গ্রাহকদের পাওনা অর্থ ব্যবহার করা যাবে না।
এমএমএইচ/জেডএস