জামায়াতের ইশতেহারে পুঁজিবাজার সংস্কার পরিকল্পনা রাখায় ডিবিএর ধন্যবাদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী তাদের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। ইশতেহারে অন্যান্য খাতের পাশাপাশি পুঁজিবাজার সংস্কার ও উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে দলটি।
জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী ইশতেহারে পুঁজিবাজার সংস্কার ও উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে পুঁজিবাজারের স্টক ব্রোকারদের সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ডিবিএ সভাপতি সাইফুল ইসলাম এক প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ধন্যবাদ জানান। একইসঙ্গে তিনি দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ শীর্ষ নীতিনির্ধারকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী ইশতেহারে পুঁজিবাজারের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। সেগুলো হলো– শেয়ারবাজারে সব ধরনের অনিয়ম ও কারসাজি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, আস্থাহীনতা দূর করে বাজারকে গতিশীল ও কার্যকর করা, শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা।
ডিবিএর প্রতিক্রিয়ায় সংগঠনের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, অতীতে রাজনৈতিক দলগুলো পুঁজিবাজারকে যথাযথ গুরুত্ব দেয়নি। দীর্ঘদিন ধরে ডিবিএ সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বৈঠক, সভা ও সেমিনারের মাধ্যমে পুঁজিবাজারকে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং নীতিগত সহায়তা দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে।
তিনি আরও বলেন, এই প্রথম রাজনৈতিক দলগুলো পুঁজিবাজারকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করেছে এবং এ খাতের সংস্কার ও উন্নয়ন নিয়ে সুস্পষ্ট পরিকল্পনা জনগণের সামনে উপস্থাপন করেছে। জামায়াতে ইসলামীর ইশতেহারে পুঁজিবাজার অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে ডিবিএর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে।
ডিবিএ আশা প্রকাশ করেছে, ঘোষিত ইশতেহারের যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমে পুঁজিবাজারের টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, বাজারে আস্থা পুনরুদ্ধার এবং সামগ্রিক গতিশীলতা আরও ত্বরান্বিত হবে।
এমএমএইচ/এসএসএইচ