দেশের দ্রুত বিকাশমান কসমেসিউটিক্যালস ও পার্সোনাল কেয়ার খাতে নতুন নেতৃত্ব হিসেবে যোগ দিয়েছেন বিপণন বিশেষজ্ঞ মাহাবুবুর রহমান পল্লব। তিনি এনজিএল কসমেসিউটিক্যালস লিমিটেডের চিফ মার্কেটিং অফিসার (সিএমও) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
বিজ্ঞাপন
নতুন এই দায়িত্বে তিনি কোম্পানির সামগ্রিক বিপণন, ব্র্যান্ড এবং প্রবৃদ্ধি কৌশলের (গ্রোথ স্ট্র্যাটেজি) নেতৃত্ব দেবেন। বিশেষ করে ‘ডিজিটাল-ফার্স্ট’ পদ্ধতিতে একটি শক্তিশালী বিপণন ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা, পারফরম্যান্স মার্কেটিং স্কেল করা, গ্রাহক সংগ্রহ ও ধরে রাখা (অ্যাকুইজিশন ও রিটেনশন) এবং তথ্যনির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া (ডেটা-ড্রিভেন ডিসিশন মেকিং) প্রতিষ্ঠাই হবে তার মূল লক্ষ্য।
এছাড়া ই-কমার্স ও মার্কেটপ্লেস প্রবৃদ্ধি, কনভার্সন রেট অপ্টিমাইজেশন (সিআরও), মার্কেটিং অটোমেশন এবং কনটেন্টনির্ভর ব্র্যান্ড প্রবৃদ্ধি নিয়েও তিনি কাজ করবেন।
এনজিএল কসমেসিউটিক্যালস লিমিটেডের মূল লক্ষ্য হলো ব্যক্তিগত ত্বকের যত্ন বা ‘পার্সোনালাইজড স্কিন কেয়ার’ পদ্ধতিকে সহজ, কার্যকর ও সবার জন্য সহজলভ্য করে তোলা। প্রতিষ্ঠানটি এমন সব পণ্য তৈরি করে যা ক্লিনিক্যালি প্রমাণিত, ব্যবহারে সহজ এবং বাস্তব জীবনের প্রয়োজনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।
বিজ্ঞাপন
এনজিএল গ্রুপের অধীনে থাকা প্রতিটি ব্র্যান্ড আলাদা ক্যাটাগরি ও গ্রাহক শ্রেণি বিবেচনা করে সাজানো হয়েছে
রেনিক্স কেয়ার: ইউনানি মেডিসিনভিত্তিক সমাধান, যেখানে প্রাকৃতিক ও ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসাকে আধুনিক রূপে উপস্থাপন করা হয়।
চাহুয়া: ভেষজ ও প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড।
বিজ্ঞাপন
রুপল্যান্ড: আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর এস্থেটিক ক্লিনিক, যেখানে ত্বক, চুল ও সৌন্দর্যের চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
রোজিল: সাশ্রয়ী ও কার্যকর ডিটারজেন্ট ব্র্যান্ড।
বায়োভি: ত্বকের সমস্যা সমাধানে বিশেষায়িত ডার্মো কসমেটিকস ব্র্যান্ড।
সুশি: সৌন্দর্য ও শৈলীকে সহজভাবে উপস্থাপনের কসমেটিকস ব্র্যান্ড।
লিটক্স: শিশুদের জন্য নিরাপদ ও কোমল পণ্য নিয়ে কাজ করা বেবি কেয়ার ব্র্যান্ড।
কিমসল: দৈনন্দিন সুরক্ষায় অ্যান্টিসেপটিক ও হাইজিন প্রোডাক্ট।
নিজের নতুন দায়িত্ব প্রসঙ্গে মাহাবুবুর রহমান পল্লব বলেন, ‘এনজিএলের মতো একটি গতিশীল ও মাল্টি-ব্র্যান্ড কোম্পানির সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাওয়া সত্যিই আনন্দের। আমি বিশ্বাস করি, শক্তিশালী বিপণন কৌশল, তথ্যের সঠিক ব্যবহার এবং গ্রাহক-কেন্দ্রিক কর্মপদ্ধতির মাধ্যমে আমরা প্রতিটি ব্র্যান্ডকে দ্রুত এগিয়ে নিতে পারব।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার লক্ষ্য হলো একটি সমন্বিত ও কার্যকর ডিজিটাল প্রবৃদ্ধি ইঞ্জিন তৈরি করা, যা এনজিএলের সবগুলো ব্র্যান্ডকে সম্মিলিতভাবে সফল হতে সাহায্য করবে।’
বিআরইউ
