আগামী অর্থবছরেও পুঁজিবাজারে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ

Dhaka Post Desk

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

২৯ জুন ২০২১, ০৮:২৫ পিএম


আগামী অর্থবছরেও পুঁজিবাজারে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ

চলতি অর্থবছরের মতোই আগামী অর্থবছরেও পুঁজিবাজারে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের কণ্ঠভোটে আগামী ২০২১-২২ অর্থবছরের বিল পাস হয়। অর্থবিল পাসের সময় সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন।

বিল অনুসারে, এবারের বাজেটে পুঁজিবাজারের পাশাপাশি বিনা প্রশ্নে নগদ টাকা পুঁজিবাজারে পাশাপাশি নতুন শিল্প, ফ্ল্যাট ও প্লট এবং ব্যাংক আমানতসহ বেশ কয়েকটি খাতে বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়েছে।

এবার তালিকাভুক্ত শেয়ার, বন্ড, মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিটসহ পুঁজিবাজারের বিভিন্ন ইনস্ট্রুমেন্টে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ কর এবং মোট করের ওপর ৫ শতাংশ জরিমানা গুনতে হবে। এই সুযোগ নিয়ে বিনিয়োগের পর তা একবছরের মধ্যে তুলতে চাইলে ১০ শতাংশ হারে জরিমানা দিতে হবে।

অন্যদিকে ২৫ শতাংশ কর এবং করের ওপর ৫ শতাংশ জরিমানা দিয়ে নগদ টাকা, ব্যাংক ডিপোজিট, ফিনান্সিয়াল স্কিম ও ইনস্ট্রুমেন্ট, সব ধরনের ডিপোজিট ও সেভিংস ডিপোজিট, সেভিং ইনস্ট্রুমেন্ট অথবা সেভিং সার্টিফিকেট (সঞ্চয়পত্র) বৈধ প্রক্রিয়ায় নিয়ে আসা যাবে বলে অনুমোদিত সংশোধনীতে বলা হয়েছে।

এছাড়া জায়গা অনুপাতে নির্দিষ্ট পরিমাণ কর ও জরিমানা দিয়ে অপ্রর্শিত জমি, ভবন, অ্যাপার্টমেন্ট প্রশ্নাতীতভাবে বৈধ করার সুযোগ রাখা হয়েছে অর্থবিলে। পাশাপাশি ১০ শতাংশ কর দিয়ে নতুন শিল্পায়নে বিনিয়োগ করা যাবে অপ্রদর্শিত অর্থ।

অর্থবিলে নতুন এসব সুযোগের পাশাপাশি আগের ঘোষণা অনুযায়ী হাইটেক পার্ক ও অর্থনৈতিক অঞ্চলে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এবং জমি ও ফ্ল্যাট কেনার ক্ষেত্রেও এমন সুযোগ থাকছে।

এর আগে ৩ জুন প্রস্তাবিত বাজেটে শেয়ারবাজারসহ বেশ কয়েকটি খাতে কালো টাকা হিসেবে অধিক পরিচিত ‘অপ্রদর্শিত অর্থ’ বিনা প্রশ্নে সাদা করার অবাধ সুযোগ অব্যাহত রাখার বিষয়ে কিছু বলা হয়নি।

এমআই/এসএসএইচ

Link copied