উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ নির্ধারণে আন্তর্জাতিকমানের গবেষণা প্রয়োজন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেছেন, দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জের জন্য প্রস্তুত করতে আন্তর্জাতিকমানের গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। এমন গবেষণা হতে হবে তথ্যভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক। যাতে শুধু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নয়, দেশের নীতিনির্ধারকরাও উচ্চশিক্ষার দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য ও কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণে তা ব্যবহার করতে পারেন।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ প্রস্তুতি ও শ্রমবাজারের চাহিদা মূল্যায়নে সমীক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, দেশের সব অঞ্চল, সব শ্রেণি-পেশা এবং ধর্ম-বর্ণ ও গোত্রের মানুষের সমস্যা ও চাহিদা জানতে চায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এমন উদ্যোগ নেওয়াই মূল লক্ষ্য, যাতে কেউ পিছিয়ে না পড়ে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এ দেশের আপামর মানুষের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
গবেষণাটি আন্তরিকতার সঙ্গে পরিচালনার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, সমীক্ষাটি যেন আন্তর্জাতিকমানের হয়, যাতে শুধু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নয়, দেশের নীতিনির্ধারকেরাও উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ লক্ষ্য নির্ধারণে এই গবেষণা ব্যবহার করতে পারেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. এ টি এম জাফরুল আযম, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. মো. আশেক কবির চৌধুরী।
উল্লেখ্য, এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে ইউনিসেফ বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সংস্থাটির আর্থিক সহায়তায় উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে গবেষণার কাজ পেয়েছে খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান ‘কনসিগলিয়েরি প্রাইভেট লিমিটেড’। এই সমীক্ষার মাধ্যমে দেশের উচ্চশিক্ষার সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরা হবে।
আরএইচটি/জেডএস