উন্নত দেশের মানদণ্ডে পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন করবে সরকার : শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নে উন্নত দেশগুলোর অনুসৃত বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুসরণ করা হবে। বিশেষ করে ইতিহাসের বই তৈরিতে একাধিক স্তরের ইতিহাসবিদদের মতামত নিয়ে গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী কাজ করা হবে। অতীতের ভুল নিয়ে না ভেবে ভবিষ্যতে সঠিকভাবে কাজ করাই সরকারের লক্ষ্য।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ববি হাজ্জাজ বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই বিস্তারিত আলোচনা সম্ভব হয়নি। তবে শিক্ষা সংস্কার নিয়ে ধারাবাহিকভাবে গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা হবে এবং জবাবদিহির মধ্যেই কাজ করা হবে। আমরা মাত্রই দায়িত্ব নিয়েছি। তবে এটুকু পরিষ্কার করে বলতে পারি, যে কোনো পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নে বিশ্বে উন্নত দেশগুলো যে পদ্ধতি অনুসরণ করে, আমরা সেই পদ্ধতিই অনুসরণ করব।
ইতিহাসের পাঠ্যপুস্তক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একাধিক পর্যায়ের ইতিহাসবিদদের সম্পৃক্ত করে বই প্রস্তুত করা হবে। অতীতে কী ভুল হয়েছে, তা নিয়ে না পড়ে থেকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। আগামীতে যদি আমরা সঠিকভাবে কাজ করতে না পারি, তাহলে আমরাই আপনাদের কাঠগড়ায় থাকব।
তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারে সবার সম্মিলিত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো হবে। প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চশিক্ষা, কারিগরি ও মাদ্রাসাসহ শিক্ষা ব্যবস্থার প্রতিটি স্তরেই সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে এবং সে লক্ষ্যে কাজ শুরু হয়েছে।
বক্তব্যে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্বপ্নের কথা উল্লেখ করে বলেন, দেশের ২০ কোটি মানুষের জন্য আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে, যা বিশ্বমানের হবে এবং ভবিষ্যতে বিদেশি শিক্ষার্থীরাও বাংলাদেশে পড়তে আগ্রহী হবে।
এসময় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনসহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আরএইচটি/জেডএস