প্রাথমিক বৃত্তিতে অংশ নিতে পারবে কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীরাও

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীরাও অংশ নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জুনিয়র ও দাখিল ৮ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা এবং ইবতেদায়ি ৫ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার ফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকারি ও কিন্ডারগার্টেনের একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি বলেন, প্রাথমিক স্তরের ভিত্তি পরীক্ষা (বৃত্তি) থেকে কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীদের বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই। একই দেশের নাগরিক হিসেবে তাদেরও সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। তাই সরকারি ও বেসরকারি— উভয় ধারার শিক্ষার্থীদের একই প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে শিক্ষার্থী সংখ্যা বেশি হওয়ায় মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি এবং ২০ শতাংশ বেসরকারি শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গত বছর প্রাথমিক স্তরের বৃত্তি পরীক্ষা কেবল সরকারি শিক্ষার্থীদের জন্য নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীদের অন্তর্ভুক্ত না করায় এ বিষয়ে মামলা হয়। আদালতের নির্দেশনা ও নীতিগত বিবেচনায় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে— একই দেশে একই শিক্ষা ব্যবস্থার আওতায় সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। সে অনুযায়ী একই প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হবে।
বৃত্তির আর্থিক কাঠামো তুলে ধরে তিনি বলেন, ট্যালেন্টপুলে এককালীন ২২৫ টাকা ও মাসিক ৩০০ টাকা দেওয়া হবে। সাধারণ বৃত্তিতে এককালীন ২২৫ টাকা এবং মাসিক ২২৫ টাকা দেওয়া হবে। আগামী বছর বৃত্তির পরিমাণ বাড়ানোর চিন্তা ভাবনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আসন্ন কোরবানির ঈদের আগেই প্রশ্নপত্র প্রস্তুত করে গত বছরের পরীক্ষা এ বছর নেওয়া হবে।
এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শ্রেণি পরীক্ষার নামে বৈষম্যের অভিযোগ সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। কেউ যেন বঞ্চিত না হয়, সে বিষয়ে নজরদারি থাকবে।
আরএইচটি/জেডএস