বিয়ের সময় অমৃতার নাম পাল্টে দেন সাইফ!

বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান ও অমৃতা সিংয়ের বিচ্ছেদ হয়েছে বহু বছর আগে। তবে তাদের দীর্ঘদিনের পুরনো সম্পর্ক ও বিয়ে নিয়ে আজও ভক্তদের কৌতুহলের শেষ নেই। তবে জানা গেল, বিয়ের সময় নাকি অমৃতার নাম পাল্টে দিয়েছিলেন সাইফ; যার পেছনে ছিল বড় কারণ!
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলিউডের ফ্যাশন ডিজাইনার আবু জানি ও সন্দীপ খোসলা সাইফ-অমৃতার বিয়ের সময়ের অজানা কিছু তথ্য সামনে আনেন। তারা জানিয়েছেন, অমৃতাকে কখনও ধর্ম পরিবর্তনের জন্য চাপ না দিলেও বিয়ের সময় তার একটি নতুন নাম রাখা হয়েছিল।
আবু জানি ও সন্দীপ খোসলা জানান, মাত্র সাত-আট মাস প্রেমের সম্পর্কের পর হঠাৎ করেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সাইফ ও অমৃতা। অমৃতার মনে কিছুটা সংশয় থাকলেও সাইফ ছিলেন অনড়। বিয়ের দিনটি ছিল বেশ নাটকীয়। ডিজাইনার জুটি জানান, তারা নিজেরা সাক্ষী হিসেবে নিকাহনামায় স্বাক্ষর করেছিলেন। বিয়ের দিন অমৃতা তার মায়ের গয়না পরেছিলেন এবং সাইফ পরেছিলেন একটি গলাবন্ধ শেরওয়ানি।
বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার জন্য একজন কাজি ও একজন শিখ পণ্ডিতকে নিয়ে আসা হয়েছিল। সাইফ তার মা শর্মিলা ঠাকুরের মতো অমৃতাকে ধর্ম পরিবর্তনের জন্য কখনও জোর করেননি। তবে মুসলিম রীতিতে বিয়ের সময় কাজি সাহেব অমৃতার একটি নতুন নাম রাখার প্রস্তাব দেন। বর্ণানুক্রম অনুযায়ী ‘এ’ (A) দিয়ে তার নতুন নাম রাখা হয় ‘আজিজা’।
সাইফ আলি খান ও অমৃতা সিংয়ের পরিবারের পটভূমি ছিল ভিন্ন। অমৃতার মা মুসলিম এবং বাবা শিখ পরিবারের সদস্য ছিলেন। অন্যদিকে সাইফের বাবা মনসুর আলি খান পতৌদি ছিলেন মুসলিম এবং মা শর্মিলা ঠাকুর ছিলেন হিন্দু (বিয়ের পর ধর্মান্তরিত)। বয়সে সাইফের চেয়ে ১৩ বছরের বড় হওয়া এবং ভিন্ন ধর্মের হওয়ার কারণে তৎকালীন সময়ে তাদের বিয়ে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। দীর্ঘ ১৩ বছরের সংসার জীবনের পর ২০০৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদ ঘটে এই তারকা দম্পতির।
ডিএ